Breaking News:


শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রকে ‘সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনকারী আগ্রাসন’ বন্ধ করতে বললো ইরান- রাশিয়া, কিউবার নিন্দা   নির্বাচিত সরকারের কাছে দ্রুত ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় অন্তর্বর্তী সরকার : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানে প্রেসিডেন্ট ও তাঁর স্ত্রী আটক : ট্রাম্পের কাছে তাদের জীবিত থাকার প্রমাণ চাইলো ভেনেজুয়েলা মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন তাসনিম জারা ঢাকায় জামায়াত মনোনীত ৬ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন : আগামীকাল শেষ হচ্ছে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাছাই নিবন্ধন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬- জারি: চালু হচ্ছে ই-রেজিস্ট্রেশন ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলার উদ্বোধন সৌদির সীমান্তবর্তী ইয়েমেনে তীব্র লড়াই ও সংঘর্ষ : বিমান হামলায় ২০ জন নিহত খালেদা জিয়ার আত্মার শান্তি কামনায় শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত

নিবন্ধন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬- জারি: চালু হচ্ছে ই-রেজিস্ট্রেশন

  • আপলোড টাইম : ০১:৩০ পিএম, শনিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ Time View
ছবি কোলাজ: বিকে

।।বিকে রিপোর্ট।।
দেশের দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও ডিজিটাল করার লক্ষ্যে ‘নিবন্ধন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারির মাধ্যমে এখন থেকে চালু হতে যাচ্ছে ইলেকট্রনিক রেজিস্ট্রেশন বা ই-রেজিস্ট্রেশন।

গত বৃহস্পতিবার ১ জানুয়ারি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।

শতবর্ষী পুরোনো ‘নিবন্ধন আইন, ১৯০৮’ সংশোধন করে ‘নিবন্ধন (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতেই দলিল উপস্থাপন ও নিবন্ধন করা যাবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, সংসদ ভেঙে যাওয়ায় এবং জরুরি পরিস্থিতি বিদ্যমান থাকায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করেন।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিবন্ধন আইন, ১৯০৮-এর ধারা ১৭ক-ছ, উপধারা (২)-এ উল্লিখিত দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ধারা ২৬-এর অনুচ্ছেদ (খ)-এ উল্লিখিত সময়সীমা ৪ মাসের পরিবর্তে ৬ মাস করা হয়েছে।

হেবা ও দান নিবন্ধনের আওতার ক্ষেত্রে ধারা ৫২ক সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী হেবা ঘোষণা, হিন্দু, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণা, নিবন্ধনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতার’ শব্দ দুটি সংযোজন করা হয়েছে।

অনিয়মে কর্মকর্তার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধারা ৬৮ সংশোধন করে নতুন উপধারা (৩) সংযোজন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধন কর্মকর্তা যদি যথাযথ ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্ক আদায় না করে দলিল নিবন্ধন করেন, তবে তা অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

আপিল ও আবেদন নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে অধ্যাদেশে ধারা ৭২ সংশোধন করে উপধারা (১ক) সংযোজন করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপিল দাখিলের তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রার আপিল নিষ্পত্তি করবেন।

এছাড়া ধারা ৭৩ সংশোধন করে নতুন উপধারা (৩) যুক্ত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আবেদন দাখিলের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে।

ই-রেজিস্ট্রেশন চালুর অধ্যাদেশে নতুন অংশ দ্বাদশ(ক) সংযোজন করে ধারা ৭৭(ক) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মাধ্যমে সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ, ডিজিটাল পদ্ধতিতে দলিল নিবন্ধন করা যাবে। এ সংক্রান্ত বিধি সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে প্রণয়ন করবে।

অধ্যাদেশে ধারা ৮০ প্রতিস্থাপন করে বলা হয়েছে, দলিল উপস্থাপনের সময়ই সব ফি, কর, সার্ভিস চার্জ ও শুল্ক পরিশোধ করতে হবে। এসব অর্থ আদায়ের পদ্ধতি এবং সার্ভিস চার্জ ব্যবহারের বিষয়ে সরকার গেজেটের মাধ্যমে বিধি প্রণয়ন করবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech