।।বিকে আন্তর্ঝাতিক ডেস্ক।।
পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ২০০ জনে।
শনিবার ১৬ আগস্ট এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বিবিসির উর্দু বিভাগ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া অতিভারী বর্ষণে খাইবার পাখতুনখোয়ার বুনের, বাজাউর এবং বাটগ্রামেই সবথেকে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে।
বিপর্যস্ত অঞ্চলে ত্রান সামগ্রী নিয়ে যেতে গিয়ে একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে।
ওই ঘটনায় দুজন পাইলট সহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন বলে খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে।
অন্যদিকে পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে ভূমিধ্বসে আটজন নিহত হয়েছেন এবং নীলম ও ঝিলম উপত্যকায় প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকে পড়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে এটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে উদ্ধার ও ত্রাণকার্যের পর্যালোচনা করতে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে বিবিসি জানতে পেরেছে যে খাইবার পাখতুনখোয়াকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’হিসাবে ঘোষিত করা হতে পারে।
বহু মানুষ ভূমিধসে চাপা পড়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। কেবল বুনেরেই ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে গাডেজি তহশিলেই মারা গেছেন ১২০ জন। চাঘারজাই এলাকায় একটি ভবন চাপা পড়ে একই পরিবারের ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে, শুধু এ প্রদেশেই গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন ১৬৩ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী ও ১২ শিশু। হিগুকান্দ ও পীর বাবা এলাকায় বহু নারী-শিশু এখনো আটকা পড়ে আছেন। আল মদিনা নামের একটি হোটেল বন্যার পানিতে সম্পূর্ণ ভেসে গেছে।
জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে। এ ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে স্থানীয় প্রশাসন।
সূত্র : বিবিসি বাংলা