।। বিকে ডেস্ক ।।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন নামে এক যুবক নিহত হয়। যুবকের মরদেহ গত কয়েকদিন ধরে পড়ে আছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার। তাদের ভাষ্য, বন্ধুরাসহ সীমান্তের ওপারে গিয়েছিলেন সাদ্দাম। এরপর কোমর ও পায়ে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।
সর্বশেষ রবিবার ৫ এপ্রিল বিকেল ৫টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধারের খবর নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সাদ্দাম হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সাদ্দামসহ কয়েকজন সীমান্ত পাড়িয়ে দিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়ারা তাদেরকে লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয় সাদ্দাম। তার মরদেহ এখনও হস্তান্তর করেনি ভারত। এ বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাজ করছে।
ওসি শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, জেনেছি লাশ ওভাবেই সীমান্তের ওপারে পড়ে আছে। যেহেতু বিষয়টি সীমান্ত সংক্রান্ত বিষয়। মরদেহ আনা হলে আমরা আইনি ব্যবস্থা নেব।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান সাদ্দাম হোসেনসহ কয়েকজন। এসময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা গুলি চালালে সাদ্দাম হোসেন নিহত হন ও তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া আহত হন। পরে অন্য সঙ্গীরা ফরহাদকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর ৩০ ও জফির মিয়া ২৮।