শিরোনাম :
টুথপেস্টের পর এবার সয়াবিন তেলে মিলেছে ভয়াবহ মাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত হচ্ছে পর্যটন নগরী কক্সবাজার সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে ১ নারীসহ ৩ ভারতীয় আটক: বিএসএফের কাছে তুলে দিল বিজিবি বুধবার সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে এনসিপি জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: ১৩ জনের মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে আগ্রহী রাশিয়া: প্রতি টনে ১০ ডলার কমে ইউরিয়া সরবরাহের প্রস্তাব মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ঢাকা সহ দেশের ৯ অঞ্চলে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী ২৭ দিনে এলো আড়াই বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স

মালয়েশিয়ায় ৫০ দিনে বাংলাদেশিসহ ৭ হাজার অবৈধ অভিবাসী আটক

  • ১০:৩০ এএম, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

মালয়েশিয়ায় গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ৫০ দিনে মোট ৭ হাজার ৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে এ সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অভিযান) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি এক বিবৃতিতে বলেন, দেশের অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নে ধারাবাহিকভাবে আরও কঠোর, সমন্বিত ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান পরিচালনা করছে। যারা অভিবাসন আইন ও বিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আপস করা হবে না।

তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইমিগ্রেশন বিভাগের আইন প্রয়োগ শাখা মোট ১ হাজার ৮৫৫টি অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৩০ হাজার ১৭৭ জনকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৭ হাজার ৪৩ জনকে অবৈধভাবে দেশে অবস্থানের দায়ে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৮০৪টি মামলা হয়েছে ১৯৫৯/৬৩ সালের অভিবাসন আইনের ৬(১)(সি) ধারায়, যা বৈধ পাস বা ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থানের অপরাধে প্রযোজ্য। এছাড়া ১,২৫০টি মামলা হয়েছে ১৫(১)(সি) ধারায়, অর্থাৎ অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করার কারণে।

আরও ৮০৬টি মামলা হয়েছে ১৯৬৩ সালের অভিবাসন বিধিমালার ৩৯(বি) বিধি অনুযায়ী, যা পাসের শর্ত ভঙ্গের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। বাকি ১৮৩টি মামলা অন্যান্য অপরাধের আওতায় নথিভুক্ত হয়েছে।

আটক বিদেশি নাগরিকদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, বাংলাদেশ, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান, ভারত ও চীনের ইমিগ্রেশন বিভাগ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদারভাবে অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে আইন প্রয়োগ কার্যক্রম আরও কার্যকর করা যায়।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech