শিরোনাম :
জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি : নুরের ওপর হামলায় জড়িত কেউ রেহাই পাবে না নুরের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা হেফাজতে ইসলামের ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে অন্তত ২০টি নদী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে: হাফিজ উদ্দিন নুরকে প্রধান উপদেস্টার ফোন: তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস তুরস্কের আকাশসীমায় ইসরায়েলের বিমান ওড়ায় নিষেধাজ্ঞা ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা : ৪ যাত্রীবাসের সংর্ঘষে ২৫ জন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নামে ভুয়া অডিও কল রেকর্ড, মন্ত্রণালয়ের প্রতিবাদ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিললো ৩২ বস্তা টাকা, চলছে গণনা- নুরের ওপর হামলার নিন্দা প্রেস সচিব শফিকুল আলমের

১৯ ট্রলারসহ ১২২ জেলেকে ফেরত আনলো কোস্টগার্ড

  • আপলোড টাইম : ০৯:৩৯ পিএম, শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৫ Time View
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমার জলসীমায় ঢুকে পড়া ১৯টি ট্রলারসহ ১২২ বাংলাদেশি জেলেকে ফেরত এনেছে কোস্টগার্ড। এদের মধ্যে ২৯ বাংলাদেশি এবং ৯৩ রোহিঙ্গা রয়েছে।

শুক্রবার ২৯ আগস্ট সকাল ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া থেকে শাহপরীর দ্বীপ মোহনা পর্যন্ত নাফ নদীর বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের গণমাধ্যম কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপএলাকা থেকে বেশকিছু বাংলাদেশি ফিশিং বোট মিয়ানমার-বাংলাদেশ জলসীমার শূন্য রেখা অতিক্রম করেছে। তারা মিয়ানমারের ভেতরে মাছ ধরছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে বিসিজি আউটপোস্ট শাহপরী কর্তৃক শুক্রবার বিকালে নাইক্ষ্যংদ্বীয়া নাফ নদীর মোহনা থেকে জালিয়াপাড়া পর্যন্ত সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমার জলসীমায় অবস্থানরত ১৯টি বাংলাদেশি ফিশিং বোটসহ ১২২ জন (বাংলাদেশি- ২৯ জন ও রোহিঙ্গা- ৯৩ জন) জেলেকে আটক করা হয়।

তিনি বলেন, রাখাইন রাজ্যে চলমান সংঘাতের কারণে সীমান্তের বড় অংশ এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে। এর ফলে শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারে ঢুকলেই জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এ অবস্থায় জেলেদের ফেরত আনতে গিয়ে কোস্টগার্ডসহ সীমান্তে নিয়োজিত বাহিনীকে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্রপাচার রোধেও চ্যালেঞ্জ বাড়ছে।

ফেরত আনা জেলেরা এখন শাহপরীর দ্বীপ কোস্টগার্ড স্টেশনে রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এ বিষয়ে বিকেলে শাহপরীর দ্বীপ জেটিতে সংবাদ সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও গত কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশি ফিশিং বোটগুলোর মিয়ানমার ও বাংলাদেশের শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে মাছ শিকারের প্রবণতা অতিরিক্ত পরিমাণে বেড়ে গিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আরাকান আর্মি প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশি জেলেদের বোটসহ আটক করে নিয়ে যাচ্ছে।

ট্রলারমালিকদের দাবি, সাগরে মাছ ধরতে গেলে নাইক্ষ্যংদিয়া পয়েন্ট দিয়েই যেতে হয়। না হলে সাগরে মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যাবে।

ট্রলারমালিকদের তথ্য অনুযায়ী, ৫ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত ২৩ দিনে আরাকান আর্মি ১০টি ট্রলারসহ ৬৩ জন জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে গোষ্ঠীটি ২৬৭ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে ১৮৯ জনকে এবং ২৭টি নৌযান ফেরত আনা সম্ভব হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech