Breaking News:


শিরোনাম :
শিক্ষা শুধু চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও: প্রধান উপদেষ্টা খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ জামায়াত আমিরের সঙ্গে জার্মান রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ আর কখনো যাতে ভোট ডাকাতি না হয়, সে ব্যবস্থা করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ইসিতে তৃতীয় দিনের আপিলে ৪০ জনের আপিল মঞ্জুর জুলাই অভ্যুত্থানে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে সরকার ব্যর্থ: মির্জা ফখরুল প্রথম দেশ হিসেবে ইরান সফল ভাবে অচল করে দিলো ইলন মাস্কের স্টারলিংক ইন্টারনেট এলপিজি আমদানিকারকদের জন্য ঋণ সুবিধা সহজ করল বাংলাদেশ ব্যাংক ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ ঢাকায় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক-বাবরের খালাসের রায় আপিলেও বহাল

  • আপলোড টাইম : ১২:৩১ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৬১ Time View
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
২০০৪ সালের ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার ৪ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল খারিজ করে দেন।  

আদালতে এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল জব্বার ভুঁইয়া ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ মাসুদ। অন্যদিকে আসামি পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও মোহাম্মদ শিশির মনির।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ দণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে খালাস দেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে।

রাষ্ট্রপক্ষের করা এই আপিলের শুনানি শুরু হয় গত ১৭ জুলাই পেপারবুক থেকে উপস্থাপনার মধ্য দিয়ে। ধারাবাহিকভাবে ৩১ জুলাই, ১৯ আগস্ট, ২০ ও ২১ আগস্ট শুনানি হয়। সর্বশেষ শুনানি শেষে রায়ের জন্য ৪ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন আপিল বিভাগ।

এ বছরের ১২ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ বিচারিক আদালতের দেওয়া যাবজ্জীবন ও মৃত্যুদণ্ডাদেশ বাতিল করে সব আসামিকে খালাস দেন। রায়ে বলা হয়েছিল, অভিযোগপত্র আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য ছিল না, ফলে নিম্ন আদালতের রায় অবৈধ এবং টেকসই নয়।

এর আগে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত এ মামলায় বাবর, সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী ও কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের শতাধিক নেতাকর্মী, যাদের মধ্যে অনেকেই স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যান।

২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে সিআইডি এই মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র জমা দিলে বিচার শুরু হয়। তবে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এই মামলায় অধিকতর তদন্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আরও ৩০ জনকে আসামির তালিকায় যুক্ত করা হয়।

সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিচারিক আদালত হামলাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করলেও হাইকোর্ট ও আপিল বিভাগ উভয়েই মামলার অভিযোগপত্রের বৈধতা প্রশ্নবিদ্ধ করে আসামিদের খালাস দেন। ফলে প্রায় দুই দশক পুরনো এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা কার্যত শেষ হলো।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech