।।বিকে রিপোর্ট।।
সেন্টমার্টিনগামী পর্যটকবাহী জাহাজ নাম ‘দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ’-এ আগুন লেগেছে।
শনিবার ২৭ ডিসেম্বর সকাল ৭টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া বিআইডব্লিউটিএ ঘাট সংলগ্ন বাঁকখালী নদীতে সকাল ৭টার দিকে ঘাটে আসছিল দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ জাহাজটি।
প্রতিদিনের মতো সেন্টমার্টিন যেতে পর্যটক তোলার জন্য জাজাহটি ঘাটের দিকে আসছিল। হঠাৎ জাহাজের ভেতর থেকে ধোঁয়া উঠছিল। এর অল্প সময়ের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। নদীর মোহনায় দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে জাহাজটি। আগুন নেভানোর কাজ চলমান রয়েছে। পরে জাহাজ থেকে ১৬ জন ক্রুকে উদ্ধার করা হয়েছে।
জাহাজটির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সী ক্রুজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (স্কোয়াব)’র সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর।
আগুনে দগ্ধ হয়ে টেকনাফ নিবাসী নুর কামাল নামে জাহাজের একজন ক্রু মারা গেছে বলে জানা গেছে। নিহত নূর কামাল (২৫) টেকনাফের বাসিন্দা ও জাহাজটির স্টাফ ছিলেন। তিনি জাহাজে ঘুমন্ত ছিলেন বলে জানা গেছে। এ দুর্ঘটনায় ক্রুসহ জাহাজে ট্রলার ও স্পিডবোটে করে স্থানীয়রা ১৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিলা তাসনিম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনা মতো পর্যটকদের জাহাজে উঠা চেক করতে প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা ঘাট এলাকায় আসে। এরমাঝে এ অনাকাঙ্খিত ঘটনা অবলোকন করা হয়। জাহাজটি পুরোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে, আগুন লাগার আগে কোনো পর্যটক জাহাজে উঠেননি।
কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলম বলেন, ‘আগুনের সূত্রপাত জানতে কাজ চলমান রয়েছে।’
এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট।
সকাল ৯টার দিকে কক্সবাজার বিআইডব্লিউটিএ ঘাটে আগুনের ঘটনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, ‘জাহাজে আগুন লাগার কারণ জানতে ৫ সদস্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিকেলে জাহাজ মালিকদের সঙ্গে সভার সিদ্ধান্তও হয়েছে।