শিরোনাম :
হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণায় ভারতের সংশ্লিষ্টতা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা উত্তপ্ত হরমুজ: দুই মার্কিন যুদ্ধজাহাজসহ ১০টি জাহাজে হামলা ইরানের ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন কৃষকদের ৫ বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ চালিত পানির পাম্প দেওয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে, হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী ইইউ’র ঋণের অর্থে ১ হাজার প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র আনছে ইউক্রেন ভোটার এলাকা পরিবর্তন করলেন আসিফ মাহমুদ ডেঙ্গুতে এক দিনে ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৪৬৩ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর

এ বছর বইমেলা শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি

  • ০৮:১৮ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
ভাষা শহীদদের স্মরণে মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা আয়োজন করে থাকে বাংলা একাডেমি। পহেলা ফেব্রুয়ারি মেলা শুরু হওয়ার সংস্কৃতি থাকলেও এ বছর অমর একুশে বইমেলা আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে।

বৃহস্পতিবার ৫ ফেব্রুয়ারী বাংলা একাডেমির শহীদ মুনীর চৌধুরি সভাকক্ষে বইমেলা সংক্রান্ত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ড. মো. সেলিম রেজা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, মাসব্যাপী এই বইমেলা আমাদের সংস্কৃতির ঐতিহ্যের অপরিহার্য অংশ। কিন্তু বাস্তবতার কারণে অন্যান্য বছরের মতো এ বছর বইমেলা পহেলা ফেব্রুয়ারি শুরু করা সম্ভব হয়নি। ২০ ফেব্রুয়ারি এবারের বইমেলা শুরু হবে। এছাড়া, প্রকাশকদের দাবির প্রেক্ষিতে গত বছরের তুলনায় স্টলভাড়া ২৫ শতাংশ কমানো হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে বইমেলা সংক্রান্ত সকল আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের কাছ থেকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ পাওয়া গেছে। স্টল নির্মাণ কাজ চলছে। বইমেলার আলোচনা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বইমেলার স্টল বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, গত বছর যে সকল প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশগ্রহণ করেছে, তাদের মধ্য থেকে ৫২৭টি প্রতিষ্ঠান এবং নতুন ৫৩টি প্রতিষ্ঠান স্টল বরাদ্দের আবেদন করেছে। স্থান সংকুলানের বাস্তবতায় গত বছরের ৫২৭টি প্রতিষ্ঠান ও নতুন ২৪টি প্রতিষ্ঠানকে স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বইমেলার কাজ যখন ৬০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে, তখন কিছু প্রকাশক ঈদের পর মেলা আয়োজনের জন্য সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন। কিন্তু এপ্রিল মাসে প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ থাকে। ধুলোবালির উপদ্রব বাড়ে। কালবৈশাখীসহ বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা থাকে প্রবল, তাই এসময় মাসব্যাপী মেলা আয়োজন বাস্তবসম্মত নয়। তাই প্রকাশকদের অনুরোধ কিছুটা চ্যালেঞ্জ থাকলেও বইমেলা যেন তারা অংশগ্রহণ করে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম বলেন, যেহেতু এই মেলা রমজান মাসজুড়ে হবে, তাই মেলা প্রাঙ্গণে তারাবীর নামাজ পড়ার ব্যবস্থা, ইফতার করার জন্য ফুড স্টলগুলো সাজানো হয়েছে। এছাড়া, মেলা প্রাঙ্গণে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানির ব্যবস্থা থাকবে। প্রকাশকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেই আমরা এসব ব্যবস্থাগুলো গ্রহণ করেছি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech