বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১ দেশে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন করেছে কাগজবাড়ি। ‘২১ সারা বিশ্বজুড়ে’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে দিবসটি উদযাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধি, স্বেচ্ছাসেবক ও শিশু-কিশোররা।
ভৌগোলিক সীমানা পেরিয়ে বৈশ্বিক সংহতির নজির স্থাপন, বাংলাদেশের শিক্ষা ও সংস্কৃতি এবং একুশের চেতনাকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগের আয়োজন করা হয়।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কাগজবাড়ির এ বৈশ্বিক উদযাপনে অংশ নেন বিভিন্ন দেশের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এদের মধ্যে শিশু-কিশোররাও রয়েছে। কানাডা থেকে খাদিজা পারভিন, আর্মেনিয়া থেকে আব্দুল আজিজ, ফিনল্যান্ড থেকে শাহরিয়ার কবির, সুইডেন থেকে সুহাইব বিন রাব্বানি, পোল্যান্ড থেকে সাফওয়ান ইমতিয়াজ খান, ফ্রান্স থেকে রেদওয়ান ইমতিয়াজ খান, ইংল্যান্ডের লেস্টার থেকে এজাজ ইউসুফ এ উদযাপনে অংশ নেন।

নিউজিল্যান্ড থেকে রোশনি পারভিন, আয়ারল্যান্ড থেকে আদনান ইউসুফ, পাকিস্তানের পাঞ্জাব থেকে আসিফ জানজুয়া, কিরগিজস্তানের বিস্কেক থেকে আলী, রোমানিয়ার ক্লুজ-নাপোকা থেকে আব্দুল্লাহ ইবনে খায়ের, ইতালির কাসিনো থেকে সুস্মিতা সামন্তা, ভারত থেকে রিজান আহমেদ, সৌদি আরবের জিজান থেকে মিথিলা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে শামিল হন।
মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর থেকে রাকিবুল হারিজ, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে শেখ আমিরুজ্জামান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস থেকে রায়ান ও রেজওয়ান, জার্মানির রেইডস্টাড থেকে ইহাম হক সরকার এবং পর্তুগাল থেকে ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ও তার কন্যা এই গ্লোবাল উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া বাংলাদেশ থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ বসুন্ধরা শাখার ছাত্রী ফাতিমা রোজা এবং দুই বোন ছোট্ট শিশু আজওয়া ও আয়রা।

উল্লেখ্য, কাগজবাড়ি ইতোমধ্যেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড শিক্ষা সামগ্রী ডোনেশন ক্যাম্পেইন ঘোষণা করেছে। এ বিশ্ব রেকর্ড অর্জনে ১২ ঘণ্টায় দেশব্যাপী ১৫০০ স্কুলে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর মাঝে বিনামূল্যে এক মাসের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করবে প্রতিষ্ঠানটি। এতে ২০২২ সালের যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের যৌথভাবে গড়া বিশ্বরেকর্ডটি ভেঙে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে যাবে বাংলাদেশ। সৃষ্টি হবে নতুন ইতিহাস।