শিরোনাম :
বিজিবির দৃঢ়তায় ২৪ ঘণ্টায় ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত: ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ জাতিসংঘের দাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) পদকে ভূষিত বাংলাদেশের ৬ বীর সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে বাংলাদেশের প্রথম জয় জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ ইরানি ড্রোন ও রাডার স্টেশনে মার্কিন হামলা: জবাবে কুয়েত, বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ফ্রিল্যান্সিং আয়ে উৎসে কর বন্ধ: ফেরত মিলবে আগের কাটা টাকাও জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা নেই : আট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা নিলামের মাধ্যমে ২৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকার সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক জোরদার করতে চায় আঙ্কারা: তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

জলবায়ু সংকট মোকাবেলায় চলচ্চিত্রের শক্তিকে কাজে লাগানোর আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

  • ১০:৩৪ এএম, শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা তৈরিতে চলচ্চিত্রের মতো শক্তিশালী মাধ্যম অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে- বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার ৫ জানুয়ারি বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় গ্রন্থাগার অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী আয়োজিত ‘গ্লোবাল ট্রেন্ড অ্যান্ড ক্লাইমেট চেঞ্জ ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল (জিটিসিএফ) ২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, সমাজ পরিবর্তনের সুদূরপ্রসারী বার্তা থাকে এমন চলচ্চিত্রকে সরকারের অনুদান প্রক্রিয়ায় অগ্রাধিকার দেওয়া হয়ে থাকে। আর সেই ধারাবাহিকতায় পরিবেশ সংশ্লিষ্ট যেকোনো চলচ্চিত্রের প্রস্তাবকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে।

তিনি বলেন, পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনকে কেবল প্রথম আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রতি বছর আরও পরিকল্পিতভাবে করা উচিত।

প্রতিটি ফিল্ম প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট মানসম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এগুলোকে শুধু ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেই নয়, এর বাইরেও সর্বোচ্চ প্রচারের আওতায় আনতে হবে। যারা এখনো পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে অসচেতন, তাদের চিন্তার খোরাক জোগাতে এই শর্ট ফিল্ম ও কন্টেন্টগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এই প্রচারের ক্ষেত্রে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘তথ্য মন্ত্রণালয়ের যে চলচ্চিত্র অনুদান প্রক্রিয়া ও নীতিমালা রয়েছে, সেখানে আপনাদের এই উদ্যোগগুলো কীভাবে সংযুক্ত হতে পারে, তা আপনারা নিজেরা একটু খুঁজে দেখবেন। আমরা নীতিমালার আলোকে পরিবেশবান্ধব ও সামাজিক বার্তাসমৃদ্ধ চলচ্চিত্রকে সরকারি অনুদানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেব।’

উৎসবের উদ্যোক্তা এবং তরুণ নির্মাতাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনাদের এই যাত্রাটা যতই সীমিত পরিসরে হোক না কেন, এর প্রভাব কিন্তু বৈশ্বিক। ফলে অত্যন্ত দৃঢ়চেতা মন ও সক্রিয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে মাথা উঁচু করে আপনাদের এই কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

উৎসবে উপস্থিত আলোচক ও বিশেষজ্ঞরা জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সচেতনতা ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে চলচ্চিত্র, গল্প ও সৃজনশীল সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসডো ও পরিবেশবাদী বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায় এবং নেক্সাস টেলিভিশনের মিডিয়া পার্টনারশিপে আজ সকাল ৮টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে জলবায়ু বিশেষজ্ঞ, গবেষক, দেশী-বিদেশি চলচ্চিত্র নির্মাতা, উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধি এবং বিপুল সংখ্যক তরুণ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

দিনব্যাপী এই উৎসবে বিভিন্ন দেশের জলবায়ু সংকট ও পরিবেশ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech