শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন খলিলুর ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে গ্রেফতার ৭, অস্ত্র উদ্ধা রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পে আগুন ৪০ ঘণ্টাতেও স্বাভাবিক হয়নি বিদ্যুৎ-ইন্টারনেট, সরঞ্জাম ক্ষতিগ্রস্ত ঢাকা উত্তর সিটিতে প্রার্থী হচ্ছেন আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ইরানের পাঁচ তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা, জবাবে জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে ‘ভয়াবহ হামলা চালালো ইরান মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ায় বাড়ছে তেলের দাম ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে পানি বণ্টনসহ অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে মেঘলা থাকতে পারে, হালকা বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ইতালির ভেনিসে চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন

চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে গ্রেফতার ৭, অস্ত্র উদ্ধা

  • ১১:৩৪ এএম, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি: বাসস

।।বিকে ডেস্ক।।
নগরীতে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগে কথিত সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনের সাতজন সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে হাটহাজারী থানা পুলিশ।

সোমবার ৮ সেপ্টেম্বর রাতে হাটহাজারীর ভুলিয়াপাড়া ও খন্দকিয়া, বায়েজিদ বোস্তামী থানার মাজার এলাকা এবং খুলশীর দামপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির কাজে ব্যবহৃত একটি তলোয়ার, একটি চাপাতি, একটি ছুরি, একটি টিপছোরা ও বিদেশি নম্বর ব্যবহার করা চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কামরুল হাসান ওরফে সাগর (২৫), মো. রিকু (২৫), তরিকুল ইসলাম ওরফে রোহিত (২০), আহমদুল্লাহ ওরফে মাসুম মেম্বার (৪০), আহমদ রেজা শাকিল (২৫), মো. মানিক (৪০) ও নুরুল আলম (৪০)।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম জানান, গ্রেফতারকৃতরা হাটহাজারী ও বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে সন্ত্রাসী রায়হান, বড় সাজ্জাদসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসীর নাম ব্যবহার করে চাঁদা দাবি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করতো।

সম্প্রতি হাটহাজারীর আমানবাজার এলাকার এক চিকিৎসকের কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। একইভাবে বড়দিঘীর পাড় এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছেও চাঁদা দাবি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে চক্রটির সদস্যদের শনাক্ত করা হয়।

তিনি জানান, বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও বিত্তবান ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করে তাদের টার্গেট করা এবং সন্ত্রাসীদের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায় করাই ছিল চক্রটির কৌশল।
গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ডাকাতির প্রস্তুতি, অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। একই সঙ্গে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech