।।বিকে ডেস্ক।।
মূল নেতৃত্ব পালালেও ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক মানুষ এখনো দেশে আছে- বলেছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায় এমপি।
মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, বিএনপি নেতাকর্মীদের বাঁচানোর প্রশ্ন নয়, ফ্যাসিবাদের দোসরদের হাত থেকে জনগণের নিরাপত্তা ও জানমাল রক্ষা করা প্রশাসনের প্রধান দায়িত্ব।
দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে জিয়া মঞ্চ তাদের সাংগঠনিক ও আদর্শিক মনোবল নিয়ে সবসময় জনগণের পক্ষে ভূমিকা রেখেছে। সংগঠনটির সভাপতি আব্দুস সালাম ও সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ উল্লাহ ইকবালের নেতৃত্বে এর কর্মকাণ্ড আরও বিস্তৃত হচ্ছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বহু লড়াই ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অনেকের জীবনের আত্মাহুতি, অনেকে শহীদ হয়েছেন, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্টে ফ্যাসিবাদ পতনের মধ্য দিয়ে শহীদ জিয়ার লক্ষ্য, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব আজকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করার সূচনা করতে পেরেছি।
তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদ ও তার নেতৃত্ব চলে গেলেও ফ্যাসিবাদের চরিত্র বহনকারী অনেক লোক এখনো দেশে রয়ে গেছে। ভোরবেলায় হুটহাট ককটেল মিছিল কিংবা বোমা ফাটিয়ে জনজীবন অস্থিতিশীল করা এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে। তবে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা জনগণের পক্ষে সজাগ রয়েছেন। কোনো অবস্থাতেই দেশে আবার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিবেশ সৃষ্টি করতে দেওয়া হবে না।
অবিলম্বে এসব দুষ্কৃতকারীকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, প্রশাসনের দায়িত্ব হলো গোপনে সক্রিয় থাকা ফ্যাসিবাদের দোসরদের নিবৃত্ত করা, আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা এবং জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শরাফত আলী সপুসহ জিয়া মঞ্চের নেতাকর্মীরা।