Breaking News:


শিরোনাম :
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি: যমুনার সামনে বিক্ষোভে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো গুলি ছোঁড়েনি জাবেরের ওপর হামলা অত্যন্ত ন্যক্কারজনক : তাসনিম জারা বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষনা ইরানের সঙ্গে খুবই ভালো আলোচনা হয়েছে, বললেন ট্রাম্প প্যারিসে টেক্সওয়ার্ল্ড অ্যাপারেল সোর্সিং: ৮.০২ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য অর্ডার পেল বাংলাদেশ ‘লীগ অ্যাক্টিভ হয়েছে’ দাবি ইনকিলাব মঞ্চের, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শনিবার দ্বিতীয় দফায় ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, আহত অনেক আজ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকবে এ বছর বইমেলা শুরু হবে ২০ ফেব্রুয়ারি গুম, নির্যাতনের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রস্তাব গৃহীত

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সেনাপ্রধান কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন

  • আপলোড টাইম : ১২:১৭ পিএম, রবিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ১৭৬ Time View

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ মারা গেছেন।

রবিবার ২৬ জানুয়ারি সকাল ৮টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন তার মৃত্যু হয়।

জানা গেছে, নব্বই-ঊর্ধ্ব সফিউল্লাহ দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, থাইরয়েডে জটিলতা, ফ্যাটি লিভার, ডিমেনশিয়াসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছিলেন।

১৯৭১ সালে সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান। তার নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে। মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।

পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড (ফোর্স নামে পরিচিত) গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ। মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব লাভ করেন।

১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম নেয়া কে এম সফিউল্লাহ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

১৯৯১ সালে দেশে ফিরে এলে তাকে এক বছর ওএসডি করে রাখা হয়। পরের বছর তিনি স্বেচ্ছায় অবসরে যান।

১৯৯৫ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং ১৯৯৬ সালে নৌকা প্রতীবে নির্বাচন করে নারায়ণগঞ্জ ১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনকে বেগবান করতে মুক্তিযুদ্ধের জীবিত সেক্টর কমান্ডাদের নিয়ে ২০০৭ সালে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম গঠিত হলে সফিউল্লাহ ছিলেন সংগঠনের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। পরে তিনি এ সংগঠনের চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালে একদল সেনাসদস্য যখন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করে, তখন সেনাপ্রধানের দায়িত্বে ছিলেন সফিউল্লাহ।  

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech