।।বিকে রিপোর্ট।।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বের ওপর দেশি-বিদেশি আস্থা ও সমর্থন দেখে আমাদের প্রতিপক্ষদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে- বলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান।
শুক্রবার ১৪ মার্চ আল-ফালাহ মিলনায়তনে মহানগর মজলিসে শূরার বিশেষ অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামীকে মানুষ নেতৃত্বে দেখতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের দলের নেতারা এমনভাবে কথা বলতে শুরু করছে, কথা শুনে তাদেরকে সুস্থ মনে হয় না। তারা সকালে এক কথা বলে বিকেলে আরেক কথা বলে! এ সময় তিনি বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, আমাদের প্রতিপক্ষের লোকেরা অনেকটা গায়ে পড়ে গোলমাল করার চেষ্টা করছে।
জামায়াত নেতাকর্মীরা সবসময়ই জুলুমের শিকার। আগে আওয়ামী লীগ জুলুম করতো এখন আরেক দল শুরু করেছে। তবে ভুলে গেলে চলবে না, এ দেশের জনগণ কোনো ফ্যাসিস্টকে গ্রহণ করেনি, করবেও না।
জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে বিচারিক হত্যার সঙ্গে জড়িত বিচারক, প্রসিকিউশন, ভুয়া সাক্ষী, তদন্ত কর্মকর্তাদেরকে আইনের আওতায় আনতে অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এছাড়াও আওয়ামী লীগের অপশাসনের বিগত ১৫ বছরে পাচার হওয়া ২৬ হাজার কোটি টাকা ফেরত এনে পাচারকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতেও তিনি দাবি জানান।
সভাপতির বক্তব্যে জননেতা নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, জামায়াত কর্মী মানে সমাজকর্মী, এটি আমাদের কর্মকাণ্ডে জনগণ বুঝতে পেরেছে। আমাদের সামাজিক কর্মকাণ্ড আরও জোরালোভাবে পালন করতে হবে। তিনি উপস্থিত মজলিসে শূরার সদস্যদের নিজ নিজ থানা এলাকায় ব্যাপক সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করার আহ্বান জানান।
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি দেলাওয়ার হোসেন, মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, অধ্যাপক ড. আব্দুল মান্নান, শামছুর রহমান। এ ছাড়া মহানগরীর দায়িত্বশীল নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।