শিরোনাম :
ইতালির ভেনিসে চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিতে গিয়ে হেনস্তার শিকার অভিনেত্রী বাঁধন ভাদ্রের রেশ না কাটতেই হঠাৎ ঘন কুয়াশায় ঢাকা পড়ল পঞ্চগড় জাতিসংঘ মহাসচিবের সঙ্গে খলিলুর রহমানের বৈঠক দ্য ওয়ালের সাক্ষাৎকারে হাসিনা- আমার অনুপস্থিতিতে সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন শেখ সেলিম ইয়েমেনের রাজধানী সানা পুনরুদ্ধারের সিদ্ধান্ত : সৌদি আরবের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের হামলা সৌর বিদ্যুতের যন্ত্রপাতি আমদানিতে ৬ মাস কর ছাড় আজ আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস, দেশে সাক্ষরতার হার ৭৭.৯ শতাংশ ৮ অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নিউ মেক্সিকোর নাম বদলে ‘নিউ আমেরিকা’ চান ট্রাম্প, নাকচ গভর্নরের

শিশু আছিয়া হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল

  • ০৯:৪৮ পিএম, সোমবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৬

।। বিকে ডেস্ক ।।
বছর খানেক আগে মাগুরায় আট বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাই কোর্ট।

আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্সের (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) শুনানি নিয়ে সোমবার এ রায় দেয় বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার বেঞ্চ।

২০২৫ সালের ১৭ মে মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মামলার অপর তিন আসামি শিশুটির বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীবের ভাই রাতুল শেখ ও তাদের মা জাহেদা বেগমকে খালাস দেওয়া হয়।

রায়ের পর হিটু শেখ মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে হাই কোর্টে আপিল করেন। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটির ডেথ রেফারেন্স হাই কোর্টে আসে। ডেথ রেফারেন্স শাখা পেপারবুক তৈরির জন্য মামলার নথি বিজি প্রেসে পাঠায়। ছাপার কাজ শেষে গত জুনে পেপারবুক হাই কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৌঁছায়।

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ২০২৫ সালের ৬ মার্চ ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের ওই শিশু। ওইদিন তাকে মাগুরা সদর হাসপাতাল থেকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ৮ মার্চ তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৩ মার্চ শিশুটির মৃত্যু হয়।

এর আগে ৮ মার্চ শিশুটির মা হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মাগুরা সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। শিশুটির মৃত্যুর পর ওই মামলায় হত্যার অভিযোগও যুক্ত করা হয়।

মামলার প্রধান আসামি হিটু শেখ ১৫ মার্চ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। ২৩ এপ্রিল হিটু শেখের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(২) ধারায় এবং অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারায় অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত।

ঘটনার মাত্র দুই মাস ১১ দিনের মাথায় ১৭ মে নিম্ন আদালতে রায় দেওয়া হয়েছিল।

সুত্রঃ বিডি জার্নাল

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech