Breaking News:


শিরোনাম :
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই : জামায়াতের নায়েবে আমির স্পিকার হলেন মেজর (অব.) হাফিজ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদে প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন খন্দকার মোশাররফ সংসদের অধিবেশন চলাকালীন রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান জানাল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: দ্বিগুণের বেশি দামে তিন কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু আজ বাড্ডায় নির্মানধীন বাড়ির দেয়াল ধ্বসে দুই শিশুর মৃত্যু ঢাকাসহ ১২ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

অবশেষে ৯০ দিনের জন্য ১১৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিলো যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

  • ০৯:১৬ পিএম, সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
বিশ্ব অর্থনীতিকে নাড়িয়ে দেওয়া শুল্কযুদ্ধের উত্তাপ কমাতে ১১৫ শতাংশ শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। দুই দেশই আগামী ৯০ দিনের জন্য একে অপরের ওপর আরোপিত আমদানি শুল্ক হ্রাস করতে সম্মত হয়েছে।

সোমবার ১২ মে এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

এর আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, বাণিজ্য সংক্রান্ত আলাপ চালাচ্ছে বেইজিং এবং ওয়াশিংটন।

এবার মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সাংবাদিকদের জানান, আমরা ৯০ দিনের একটি বিরতির সিদ্ধান্তে একমত হয়েছি। দুই দেশই তাদের শুল্ক ১১৫ শতাংশ কমাবে।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শেষে। জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনা পণ্যের ওপর ১৪৫ শতাংশ হারে শুল্ক আরোপের পর চীনও কিছু মার্কিন পণ্যের ওপর পাল্টা ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।

শুল্ক নিয়ে দুই দেশের অঘোষিত যুদ্ধের পর এটি ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক।

বৈঠকে নতুন সমঝোতা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র এখন চীনা পণ্যে শুল্ক ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনবে এবং চীনও মার্কিন পণ্যে শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করবে — উভয়ই ৯০ দিনের জন্য কার্যকর থাকবে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই সময়সীমার মধ্যে চীনের উচিত হবে ফেন্টানিল নামের ভয়াবহ মাদকের অবৈধ রপ্তানি বন্ধে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া। এ বিষয়ে চীনের সদিচ্ছা দেখে ওয়াশিংটন আশাবাদ প্রকাশ করেছে।

মার্কিন অর্থমন্ত্রী বলেন, উভয় দেশই নিজেদের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করতে পেরেছে। আমাদের লক্ষ্য ভারসাম্যপূর্ণ বাণিজ্যের পথে অগ্রসর হওয়া এবং এটি তারই সূচনা।

উল্লেখ্য, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই অর্থনৈতিক পরাশক্তির মধ্যে বাণিজ্য উত্তেজনা বিরাজ করছিল। চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়িয়ে ১৪৫ শতাংশে নিয়ে যায় যুক্তরাষ্ট্র; কোনো কোনো পণ্যের ক্ষেত্রে মোট শুল্কহার দাঁড়িয়েছে ২৪৫ শতাংশে। এই সার্বিক শুল্ক ছাড়াও চীনকে লক্ষ্য করে খাতভিত্তিক শুল্ক আরোপ করা হয়—যেমন ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম ও গাড়ি আমদানির ওপর।

চীনের শুল্ক পরিসংখ্যান অনুসারে, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্যের রপ্তানি হয়েছিল ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা দেশটির মোট রপ্তানির ১৬.৪ শতাংশ। পক্ষান্তরে বেইজিং ঘোষণা করেছে, তারা ‘শেষ পর্যন্ত’ এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে লড়বে এবং পাল্টা জবাবে আমেরিকান পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর চীনে মার্কিন রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১৪৩.৫ বিলিয়ন ডলার।

দুই পরাশক্তির এই বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল অন্যান্য দেশের অর্থনীতিতেও। তাই ৯০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার খবর আপাতত স্বস্তি দিচ্ছে বিশ্ব অর্থনীতিতে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech