শিরোনাম :
জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি: প্রধানমন্ত্রী একরাম হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি আজ চট্টগ্রামে বাস-লরির সংঘর্ষে শিশু ও নারীসহ নিহত ৫ ‘ক্রসফায়ার’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য : আইজিপির অপসারণ চায় এনসিপি আজ ইসরায়েলে নির্বাচন: অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে নেতানিয়াহু বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী অস্ট্রেলিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন সানায়ে তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-৪ বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত, বৃষ্টি হতে পারে যেসব বিভাগে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ফ্রান্স থেকে স্পেন : ইউরোপজুড়ে কেন আন্দোলনে নেমেছে জেন-জি?

ইসলামী ব্যাংকের কাউকে ভোটের দায়িত্বে না রাখতে লিখিত প্রস্তাবনা বিএনপির

  • ০৯:৫১ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ব্যাংক বা সমমনা প্রতিষ্ঠানের কাউকে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তার দায়িত্ব না দিতে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত দাবি জানিয়েছে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার ২৩ অক্টোবর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিএনপির তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল।

জানা যায়, ৩৬ দফার একটি প্রস্তাবনা প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের কাছে দিয়েছে দলটি।

সেখানে বলা হয়েছে- নির্বাচনের নিরপেক্ষতা বজায় রাখার স্বার্থে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা বা পোলিং পারসোন্যাল তথা প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার, পোলিং অফিসার নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে সর্বমহলের নিকট চিহ্নিত এমন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ প্রদান করা যাবে না। যেমন : ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, ইবনে সিনা ইত্যাদি।

উল্লেখযোগ্য যে, ইতোমধ্যে ইসলামী ব্যাংকে সারাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার কর্মকর্তা/কর্মচারীদের নিয়োগ বাতিল করেছে এবং এসব শূন্য পদে তড়িঘড়ি করে দলীয় লোকজন নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে মর্মে জনশ্রুতি রয়েছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সিইসির কাছে ওই প্রস্তাব তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা কোনো প্রস্তাব দিইনি।

এদিন, বৈঠকের পর মঈন খান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, বিতর্কিত কাউকে যেন ভোটের দায়িত্বে নিয়োগ দেওয়া না হয়। জাতীয় নির্বাচন একটি বিরাট কর্মযজ্ঞ। ৩০০ নির্বাচন এলাকায় ৪২ হাজার কেন্দ্র আছে। ভোটে ১০ লাখ লোক দরকার, তারা কারা? তারা সিভিল, পুলিশ, বিচার বিভাগ থেকে আসেন। বিগত ১৫ বছর প্রশাসনকে রাজনৈতিকভাবে তৈরি করা হয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকরা তাদের কাজ করবেন। তারা যেন বিনা বাঁধায় কাজ করতে পারেন। আমরা সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। দীর্ঘ ১৭ বছরের সংগ্রাম ও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে এই অবস্থায় এসেছি।

নির্বাচন কমিশনকে বলেছি তারা যেন একটা উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা কমিশনের দায়িত্ব। সূত্র-দৈনিক ইত্তেফাক।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech