শিরোনাম :
তুরস্কের প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির বিক্ষোভ গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের ৩ জনসহ দগ্ধ ৬ দেশের সাধারণ ও নিম্নআয়ের ৬৫ শতাংশ বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী মূল্যবৃদ্ধির বাড়তি চাপের আওতামুক্ত বিজিবির দৃঢ়তায় ২৪ ঘণ্টায় ৮টি পুশইন অপচেষ্টা প্রতিহত: ১৭ জনকে ফিরিয়ে নিল বিএসএফ জাতিসংঘের দাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) পদকে ভূষিত বাংলাদেশের ৬ বীর সান মারিনোকে ২-১ গোলে হারিয়ে ইউরোপে বাংলাদেশের প্রথম জয় জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ ইরানি ড্রোন ও রাডার স্টেশনে মার্কিন হামলা: জবাবে কুয়েত, বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

‘একাত্তর’ কীভাবে বিএনপির হয়, প্রশ্ন জামায়াত আমিরের

  • ১১:৪৬ এএম, সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
একাত্তরে তো বিএনপির জন্মই হয়নি; একাত্তর তাদের হয় কীভাবে- প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ না করেও ‘একাত্তর’ কীভাবে বিএনপির হয়?। বিএনপি এবার জাতির সঙ্গে প্রতারণা, ধোঁকা ও গাদ্দারি করে তাদের যাত্রা শুরু করেছে।’

রবিবার ১২ এপ্রিল বিকেলে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি এখন গর্ব করে বলে, একাত্তরও তাদের, নব্বইও তাদের, চব্বিশও তাদের, সবকিছু তাদের; আর কারো কিছু নাই।

একাত্তরে তো বিএনপির জন্মই হয়নি; একাত্তর তাদের হয় কীভাবে। এখন যদি বলে যে, একাত্তরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘোষণা করেছেন, যুদ্ধ করেছেন সেই কারণে! হ্যাঁ, ঘোষণা উনি দিয়েছেন, প্রথমবার নিজের পক্ষ থেকে; দ্বিতীয়বার আরেকজনের পক্ষ থেকে।’

জামায়াত আমির বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেছেন, আমরা অবশ্যই সম্মান করি। কিন্তু এককভাবে একক ক্রেডিট, এক ব্যক্তিকে সবকিছু দিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে বাকি যোদ্ধাদের পজিশন কোথায় থাকে?

আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে তিনি বলেন, এটাও যুদ্ধকে কুক্ষিগত করা। আগের আমলেও যারা ছিল, ‘ফ্যাসিবাদি’ আমলে, তারাও এভাবে করেছে। এবং তারা করতে গিয়ে লজ্জাজনকভাবে জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের দালাল, চর, কোনো কিছু বলতেই বাদ দেয় নাই। আমরা ওই রাজনীতি আর দেখতে চাই না।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গে টেনে জামায়াত আমির বলেন, ‘আপনারা দেখেছেন, বর্তমান সরকারি দল সংসদ নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ স্বীকার করে নিয়েছে সংসদের ভেতরে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, তিনি বলেছেন, ‘ছাত্ররা আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটিয়েছে, আমরাও ছিলাম। তবে ক্যাপ্টেনের হাতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস লন্ডনে গিয়ে ট্রফি তুলে দিয়েছেন’। লজ্জা! আন্দোলন যে ছাত্ররা করেছে, সেই ছাত্ররা এবং তাদের মা-বাবারা মিলে যাকে দেশের ক্ষমতায় বসাতে চাইবে তারাই বসবে। ড. ইউনূস যদি এটা করে থাকেন, তাহলে আমি তার নিন্দা জানাই এবং এই আত্মস্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এটা প্রমাণিত হলো, যে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা নির্বাচনে উঠেছে, এটা সত্য।’

তিনি বলেন, এখন বলতে পারেন, আপনারা কী করলেন? ভোট দিলাম সত্তর ভাগ মানুষ, আপনারা ভোটটা ঘরে তুলতে পারলেন না কেন? আমরা কেন পারিনি, তার জবাব আমার চাইতে আপনারা কম জানেন না। তবে এটা ঠিক আমি সেদিন পার্লামেন্টে বলেছিলাম, ঘুঘু বার বার ধান খেতে আসে, কিন্তু কপাল যখন মন্দ হয়, তখন কিন্তু জালে বেঁধে যায়। ইনশাল্লাহ, ঘুঘু বেঁধে যাবে; দেরি হবে না ইনশাল্লাহ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech