শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফরে ১১ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ ৩০ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত : মাহদী আমিন তিস্তার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে দুই শতাধিক পরিবার জামায়াত-আওয়ামী লীগের পুরনো প্রেম জেগেছে: রাশেদ খাঁন চুক্তি করে সাতদিনের মধ্যে হরমুজ খুলে দেওয়ার প্রস্তাব ইরানের- প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগে বড় সম্ভাবনা দেখছে স্পেনের ব্যবসায়ীরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক ঢাকায় হালকা বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা, কিছু কিছু স্থানে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে জাতিসংঘে তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন দেশে আসছে ডিজিটাল ব্যাংক, মিলবে যেসব সুবিধা বাংলাদেশের বোয়িং কেনা নিয়ে উচ্ছ্বসিত ট্রাম্প, দিলেন বিশেষ বার্তা

তিস্তার তীব্র ভাঙনে হুমকির মুখে দুই শতাধিক পরিবার

  • ১১:৪৮ এএম, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে কুড়িগ্রামের উলিপুরে শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে।

হুমকির মুখে রয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধসহ বসুনিয়াপাড়ার প্রায় দুইশতাধিক বাড়িঘর।

জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের গত ২০ দিনে ব্যবধানে বসুনিয়াপাড়া এলাকায় তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে প্রায় শতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার হেক্টর ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে। এতে অনেকেই খোলা আকাশে নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। হুমকির মুখে রয়েছে আরও দুইশতাধিক বাড়িঘরসহ হাজার হাজার ফসলি জমি।

দলদলিয়া ইউনিয়নের বসুনিয়া পাড়া এলাকায় আবু বক্কর (৬৫) বলেন, বাড়িঘর সাতবার ভাঙনের পর আবারেও নদী বাড়িঘর ভাঙলো এখন কই যাবো যাওয়ার মতো জায়গা নাই। বউ-মেয়েকে নিয়ে খুব বিপদে আছি, টাকাও নাই কেমন করি সংসার চালাবো।

মহুবর রহমান (৬৫) বলেন, গত বর্ষা মৌসুমের আগে কর্পূরা বসুনিয়াপাড়া রক্ষায় কিছু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করলেও তা খরস্রোতে নদীর গর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে।

আশরাফুল ইসলাম বলেন, আমরা এলাকায়বাসীর পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে আবেদন জমা দিয়েছি। তিনি বলেছেন, “আমাদের কাছে বরাদ্দ নেই”। আমরা এখন কোথায় যাবো। সরকারের কাছে অনুরোধ আমাদের নদীতে যেন বাঁধ দেয়, তা না হলে এই গ্রামটা বিলীন হওয়া যাবে।

সখিনা বেওয়া (৯০) ও আনোয়ারা বেওয়া (৫০) বলেন, ‘হামার বাড়ি ভাঙি যায়া মানুষের জায়গাত আছি খুব কষ্ট দিন যাপন করছি, সরকার যদি আমার দেখি দেখিল হয় তাহলে ভালো হইলো হয়।’

আব্দুল জলিল মিয়া বলেন, দুই পাশে বস্তা দেওয়া আছে মাঝখানে প্রায় ১ কিলোমিটার বস্তা ফেলা নাই। যেভাবে নদী ভাঙছে, কয়েক দিনের মধ্যে গ্রামটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। তিস্তার ভাঙনে সর্বশান্ত হয়ে অনেকই ভিক্ষা করে সংসার চালাচ্ছে।

উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. টি. এম. আরিফ বলেন, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড, কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, জিও ব্যাগ শেষ হয়ে যাওয়ায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বরাদ্দ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech