শিরোনাম :
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাক উল্টে নিহত ১৫ দেশে গরীবের চেয়ে ধনীদের সামাজিক সুরক্ষায় দ্বিগুণ ব্যয় হয়- গোালাম পরওয়ার ইউক্রেনে হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’ ছুড়েছে রাশিয়া -নিহত ৮০ ঈদুল আজহায় ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ৭ দিন বন্ধ ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু ১০ অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ঘুমধুম সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে ৩ বাংলাদেশি নিহত হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু রামিসা হত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল: মামলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালে বদলি

দেশে গরীবের চেয়ে ধনীদের সামাজিক সুরক্ষায় দ্বিগুণ ব্যয় হয়- গোালাম পরওয়ার

  • ১১:৪২ এএম, সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
বাংলাদেশে গরীবের চেয়ে ধনীদের সামাজিক সরক্ষায় প্রায় দ্বিগুণ বরাদ্দ হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।

রবিবার ২৪ মে ইকোনোমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জাতীয় বাজেট ভাবনা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতীয় বাজেট থেকে সামাজিক সুরক্ষায় ধনীদের পেছনে খরচ হয় ৪ শতাংশ। সেখানে গরীবদের পেছনে খরচ হয় মাত্র ২ শতাংশ।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের দেশে স্বাধীনতার প্রায় ৫৫ বছর পরও বাজেটের বড় সমস্যা হলো এটি গতানুগতিক ধারায় রয়ে গেছে। যদি এই ধারা থেকে আমরা বের হতে না পারি তাহলে বড় বড় বাজেট দিয়েও আসলে প্রকৃত অর্থে কোন উন্নতি হবে না। ধীরে ধীরে বাজেট হয়ে উঠেছে মানুষকে শোষণের হাতিয়ার। বড় বাজেট দিয়ে অতীতে লুটপাট এবং অর্থপাচারের একটা সুস্পষ্ট পরিকল্পিত বন্দোবস্ত আমরা দেখতে পেয়েছি। বাস্তবে এতে জনগণের ভাগ্যে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

তিনি বলেন, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা ট্যাক্স কালেক্ট করছেন, তারা পদে পদে দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। আবার ব্যয়ের ক্ষেত্রেও বড় অংকের দুর্নীতি হচ্ছে। এতে স্বাধীনতা ৫৫ বছরে বাজেটের আকার প্রায় হাজার গুণ বাড়লেও দেশের মানুষ সেই তুলনায় সুবিধা পাচ্ছে না।

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আমরা বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সরকারের বাজেট এবং দেশের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিকে অন্তর্নিহিতভাবে আরেকটু মজবুত ও শক্তিশালী করার কাজে সাহায্য করতে চাই। আমাদের বাজেট ডিসকাশন তারই একটা অংশ এবং আমরা এরই মধ্যে অন্তত ৭-৮টা বাজেট ডিসকাশনের আয়োজন করেছি। এই আলোচনা থেকে কিছু রিকমেন্ডেশন (সুপারিশ) নিচ্ছি, এগুলোই আমরা কনসাইজ (সংক্ষিপ্ত) করে পার্লামেন্টারি পার্টির মাধ্যমে উপস্থাপন করতে চাই।

তিনি বলেন, আমরা বাজেটকে সুন্দর করতে একটু অংশগ্রহণ করতে চাই। যদিও আমরা এটাও বুঝি যে মেজরিটির জোরে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেন, পার্লামেন্টে যারা ভূমিকা রাখেন সেখানে বিরোধী দল হিসেবে কথা বলা কিংবা পরামর্শ দেওয়া গেলেও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা যায় না। তবে আমাদের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমরা কেমন বাজেট চিন্তা করি, সেটা জাতি জানুক। সেজন্যই আমরা বাজেটে নিজেদের মতো করে অংশগ্রহণ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, আগামী বাজেটকে একটু অন্তর্নিহিত করে জাতীয় অর্থনীতিকে কিভাবে আরেকটু শক্তিশালী করা যায় আমরা জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে সেই চেষ্টাটা করবো। রাজস্ব সংগ্রহের পদ্ধতিগত দুর্বলতা দূর করা, আয়ের আওতা বাড়ানো, ব্যয়ের ক্ষেত্রে অদক্ষতা দূর করা এবং দুর্নীতি-অপচয় শক্তিকে থামাতে আমরা আমাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব তা করবো। এই বিষয়গুলো গুরুত্ব না পেলে আগামী বাজেট কার্যকর সম্ভব হবে না।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech