শিরোনাম :
বিডিআর হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে সাবেক মেজর হাফিজ গ্রেপ্তার সংগঠিত ও দক্ষ যুবসমাজ দেশের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ : রাষ্ট্রপতি ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে আজও পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ফেসবুক লাইভে ‘দৈনিক আমার দেশ’ কপি ছিঁড়লেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান যুক্তরাষ্ট্র ও দখলদার ইসরায়েল নতুন হামলা চালালে ব্যাপক পাল্টা হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান আর্থিক খাত সংস্কারে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৪৫০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে রাজনৈতিক দল ও জনগণের ঐক্য অপরিহার্য : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে বঙ্গোপসাগরের লঘুচাপ, আট বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী ডিজে পার্টির ঘটনায় সেই অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত

ফেসবুক লাইভে ‘দৈনিক আমার দেশ’ কপি ছিঁড়লেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান

  • ১০:৪১ এএম, রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
ছবি: ভিীডও থেকে

।।বিকে ডেস্ক।।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান ফেসবুক ভিডিওতে ‘দৈনিক আমার দেশ’ পত্রিকার কপি ছিঁড়েছেন।

শনিবার ৩১ অক্টোবর রাতে ফেসবুকের ভিডিওতে এসে তিনি পত্রিকাটি ছিঁড়ে ফেলেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, রাশেদ ক্ষোভ প্রকাশ করে পত্রিকার কপি ছিঁড়ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এ দুই প্রতিবেদনের মাধ্যমে তার সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে।

ফেসবুক ভিডিওতে তিনি বলেন, এইটাকে (দৈনিক আমার দেশ) আসলে কোনো পত্রিকা বলা যায় না। আমার দেশ পত্রিকা আমাকে নিয়ে দুইটা লিড নিউজ করেছে। গত ১৫ অক্টোবর। আমার দেশ পত্রিকার লিড নিউজ ছিল ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা-সহকারীরা কী করছেন?’ এখানে মোটামুটি সবার সম্পর্কেই তুলে ধরা হয়েছে।

তবে আমি এই সংবাদ পড়তে গিয়ে যেটি বুঝলাম, আমাকে নিয়ে দুই লাইন লিখে খোঁচা মারার উদ্দেশ্যেই এই পত্রিকায় লিড নিউজ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পত্রিকার পঞ্চম পাতায় উল্লেখ করা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে রাশেদ খান বিভিন্ন টিভি টকশোসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারের পক্ষে বয়ান তৈরিতে সরব ভূমিকা পালন করেন। তার কিছু কিছু বক্তব্য বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে বিতর্কেরও সৃষ্টি করেছে। অর্থাৎ, এই এক লাইন আমার সম্পর্কে লেখার জন্য আমার দেশ পত্রিকার অনেক কালি খরচ করতে হয়েছে। শুধুমাত্র আমাকে নিয়ে তো লিড নিউজ করা যায় না। সুতরাং ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও সহকারীরা কী করছেন?’ এই শিরোনামে তারা একটি প্রকাশ করেছে।

শনিবার ৩১ অক্টোবর আমার দেশে ‘এক হয়েছেন হাসিনাপুত্র জয় ও কিছু নব্য বিএনপি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। দেখেন, আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি। একই পত্রিকা কোনোভাবেই কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে এই ধরনের কটাক্ষ করে মন্তব্য করতে পারে না। একমাত্র আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের পক্ষেই সম্ভব এ ধরনের মন্তব্য করা।

তিনি বলেন, জামায়াতের মিথ্যাচার, বিশেষ করে জামায়াতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা মিয়া গোলাম পরওয়ার ভারতীয় উচ্চপর্যায়ের গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং এই বিষয়টি আমি সামনে এনেছি। আমি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছি। জামায়াত আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারেনি।

কারণ, যখনই আমার চ্যালেঞ্জ তারা গ্রহণ করবে, তখন আমার কাছে যে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে, সেগুলো তো আমি সবাইকে শেয়ার করব। যে কারণে হয়ত তারা এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে খুব বেশি কথা বলতে চায় না।

রাশেদ খান বলেন, আমি সেই সময় উল্লেখ করেছিলাম, মিয়া গোলাম পরওয়ার যদি ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে না থাকেন এবং তাতে যদি তাদের মানহানি হয়ে থাকে, তবে তারা আমার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন। আমি এও বলেছিলাম, জামায়াত দলগতভাবে যদি কোনো তদন্ত কমিটি গঠন করে এবং সঠিকভাবে তদন্তের স্বার্থে আমার কাছ থেকে তথ্য নিতে চায়, তবে আমি তাদের সহযোগিতা করব। এমনকি আমি এ কথাও বলেছি, তদন্ত কমিটি গঠন না করে জামায়াতের আমির যদি বিষয়টি নিয়ে আমার সঙ্গে কথা বলতে চান, আমিও তার সঙ্গে তথ্য শেয়ার করতে রাজি আছি। কিন্তু জামায়াত আমার কোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে রাজি নয়। কারণ, এই বৈঠক হওয়ার বিষয়টি শতভাগ সত্য। জামায়াত যদি আমার এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এবং প্রমাণ করতে পারে যে আমি মিথ্যাচার করেছি, তবে এ দেশের জনগণ আমাকে যে শাস্তি দেবে, আমি তা মাথা পেতে নিতে রাজি আছি।

তিনি আরও বলেন, আমার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে না পেরে, আমার বক্তব্যের সঠিক জবাব দিতে না পেরে, একের পর এক এই যে জামায়াতের দেশ, এটাকে আমি আর আমার দেশ বলতে চাই না। এই জামায়াতের দেশ পত্রিকায় আমার সম্পর্কে লিড নিউজ করে চরিত্রহনন করা হচ্ছে। এখানে শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে আমি ২০১৮ সালে জেল খেটেছিলাম। আমি টানা ১৫ দিন রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হয়েছিলাম। অতিরিক্ত আরও তিন দিন আমাকে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়।

‘হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে আমার ছবি যুক্ত করে আমাকে আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করছে।’

তিনি বলেন, এই মজলুম সাংবাদিক বা সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ছিল। তিনিও আওয়ামী লীগের সময় নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। তিনি একজন মজলুম হয়ে যে রাশেদ খান ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের রিমান্ডে নির্যাতনের শিকার হলো, মজলুম হলো, তাকে নিয়ে এইভাবে ট্যাগিং করা অন্তত মাহমুদুর রহমানের আমার দেশ পত্রিকার সঙ্গে যায় না। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সংকলিত।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech