শিরোনাম :
কুয়েত-বাহরাইনের মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা ইরানের জবাবে কেশম দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর গোলাবর্ষণ বাংলাদেশের আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার: আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে এলডিসি উত্তরণে আরও তিন বছর সময় পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হলেন খলিলুর রহমান মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে: বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা আগামী বাজেটের মূল লক্ষ্য দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন: অর্থমন্ত্রী ড্রাম ট্রাকের ধাক্কায় তাবলিগ জামায়তের আমির নিহত রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে হতাহত ১১ তিন মাসে ফের খেলাপি ঋণ বেড়ে ৩২.৬২% সারাদেশে হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশের আলোচিত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিস্ফোরক দাবি মমতার: আমি মুখ খুললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে

  • ১০:৫৫ এএম, বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী বাংলাদেশের একটি ‘বড় হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন।

তিনি দাবি করেন, এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে তিনি সব জানেন এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ নেতৃত্বের যোগসূত্র রয়েছে।

মঙ্গলবার ২ জুন কলকাতার ধর্মতলায় ওয়াই চ্যানেলের ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা ব্যানার্জী এ দাবী করেন।

অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের একটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের আসামিরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশের পর রাজ্য পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ) তাদের গ্রেফতার করেছিল। গ্রেফতারের সেই ঘটনাটি যেন গোপন রাখা হয়, সেজন্য ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তাকে ব্যক্তিগতভাবে ফোন করেছিলেন।

গত এপ্রিলে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে পরাজিত হয়ে টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসানের পর এটি ছিল তার প্রথম বড় জনসভা। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সভাটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

বক্তৃতায় মমতা বলেন, ‘এনআইএর ভয় দেখাচ্ছেন, ইডির ভয় দেখাচ্ছেন, সিবিআইয়ের ভয় দেখাচ্ছেন? এই সিআইডি আমার আমলেও ছিল। এই সিআইডি তখন এইভাবে অন্যায় কাজ করত না, এসটিএফও করত না।

এরপর তিনি বাংলাদেশের একটি হত্যা মামলার প্রসঙ্গ তুলে জানান, বাংলাদেশের একটি বড় হত্যাকাণ্ড যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল, সেই খুনি মেঘালয় দিয়ে বাংলায় চলে আসে। পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ তাকে ধরে।

মমতার ভাষ্যমতে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে বলেছিলেন, ‘আপ থোরা বেঙ্গল পুলিশকে বলদো, এ বাত বাহার মে না যায়’ (আপনি পশ্চিমবঙ্গের পুলিশকে একটু বলে দিন, এই বিষয়টি যেন বাইরে প্রকাশ না পায়)।

মমতা ব্যানার্জী তার বক্তব্যে সরাসরি কারও নাম উল্লেখ না করলেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন, কার কার নাম বেরিয়েছিল? আজ সরকার পরিবর্তন হলেও আমি তো সবটাই জানি। আমার হৃদয় তো একটা কথার ভান্ডার, তথ্য ভান্ডার, সত্য ভান্ডার।

মমতার বক্তব্য অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাকে বলেছিলেন, আপনি একটু আপনার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে বলে দিন, যাতে এই কথা তারা বাইরে না বলে। এটা দেশের জন্য করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, তিনি ভদ্রতার খাতিরে বা দেশের স্বার্থে এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে অনেক তথ্য গোপন রেখেছেন। তার ভাষায়, আমি নামটা বলছি না ভদ্রতা করে। বাংলাদেশের লোক উত্তাল হয়ে যাবে। আমি সেটা চাই না, আমি দেশকে ভালোবাসি।

তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতা হারানোর প্রায় এক মাস পর মমতা ব্যানার্জীর এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিষয় এবং দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে তার এই দাবি নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। তবে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech