শিরোনাম :
কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা করছে ইরান হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু কালিয়াকৈরে সিএনজি-কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২ ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবীতে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১–দলীয় ঐক্যের লং মার্চ শুরু আশুলিয়ায় তালাবদ্ধ ফ্ল্যাট থেকে ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার উত্তরবঙ্গের প্রথম সম্ভাবনাময় গ্যাসক্ষেত্র পাবনায়, মোবারকপুরে কূপ খনন ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স’ পর্বতে হামলার হুমকি ট্রাম্পের -ছয় সপ্তাহের মধ্যে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

  • ১০:৪২ এএম, সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের আমদানি বিল পরিশোধ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ফের ৩৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।

রবিবার ৮ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ১৩৭ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ আকুকে পরিশোধ করার পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে। মূলত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমদানি লেনদেন বাবদ গৃহীত পণ্যের অর্থ পরিশোধে এই বিল দেওয়া হয়।

আকুর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে লেনদেনের জন্য দুই মাস পরপর এ ধরনের বিল পরিশোধ করতে হয়। আকু হলো একটি আন্তঃদেশীয় লেনদেন নিষ্পত্তি ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, ইরান, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মধ্যকার লেনদেনের দায় পরিশোধ করা হয়। ইরানের রাজধানী তেহরানে আকুর সদর দপ্তর। এ ব্যবস্থায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতি দুই মাস অন্তর আমদানির অর্থ পরিশোধ করে। তবে এখন আকুর সদস্য পদ নেই শ্রীলঙ্কার। অর্থনৈতিক সংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে আমদানি ব্যয় পরিশোধের বিভিন্ন শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় দেশটির আকু সদস্য পদ সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত মাসে রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিল। এরপর সর্বশেষ ৫ মার্চ দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলার। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম–৬ অনুযায়ী রিজার্ভ হয়েছে ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার।

আজ আকুর বিল পরিশোধের পর গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম–৬ হিসেবে ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

এর বাইরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের আরেকটি হিসাব রয়েছে, যা সবসময় প্রকাশ করা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট ইন্টারন্যাশনাল রিজার্ভ (এনআইআর) বা ব্যয়যোগ্য নিট রিজার্ভ ২৬ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রয়েছে।

প্রতি মাসে সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার করে এ রিজার্ভ দিয়ে প্রায় ৫ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো যাবে। সাধারণত একটি দেশের ন্যূনতম ৩ মাসের আমদানি খরচের সমান রিজার্ভ থাকতে হয়। সেই মানদণ্ডে বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। একটি দেশের অর্থনীতির অন্যতম সূচক হলো বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বা রিজার্ভ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech