Breaking News:


শিরোনাম :
পুতিন ও ট্রাম্পের দেড় ঘণ্টার ফোনালাপ: যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করমুক্ত আয়সীমা ৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব করেছে এফবিসিসিআই ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে প্লাবিত হাওরাঞ্চল, সিলেটে বন্যার আশঙ্কা, বিভিন্ন জেলায় জলাবদ্ধতা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ নয়টি অঞ্চলে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা: নদীবন্দরগুলোতে সতর্ক সংকেত ঢাকাকে ‘ক্লিন এবং গ্রীন সিটি’ করতে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী হরমুজে ৭২ ঘণ্টায় ৫২ বার মার্কিন অবরোধ ভাঙার দাবি ইরানের টঙ্গীতে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযান: আটক ১০৭ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন জয়ী সংবিধান সংশোধনে ১৭ সদস্যের কমিটি গঠন হবে: আইনমন্ত্রী

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • ১১:৫৬ এএম, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি কোনো কারণ দেখছেন না।

বুধবার ২৮ জানুয়ারী বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তার দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা (ভারত) তাদের কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের সদস্যদের যেকোনো সময় ফিরে যেতে বলতে পারেন।

ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাহারের পেছনে কোনো শঙ্কা বা সংকেত আছে কিনা, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, শঙ্কা নেই। আর সংকেত যে কী, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

উপদেষ্টা পুনরায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যা ভারতীয় কূটনীতিক বা তাদের পরিবারের জন্য শঙ্কার ইঙ্গিত দেয়। আশঙ্কা হয়তো তাদের মনে আছে কিংবা তারা কোনো মেসেজ (বার্তা) দিতে চান কি না, সেটা স্পষ্ট নয়। তবে আমি আসলে এটার মধ্যে কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

উপদেষ্টা বলেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা-উদ্বেগের বিষয়ে সরকারকে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তার কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি অন্য কোনো দেশের সহায়তায় কোনো শিল্প বা কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা হবে নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। অন্যরা কী ভাবছে, তা কোনো বিষয় নয়। সূত্র-বাসস।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech