Breaking News:


শিরোনাম :
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথ পড়ালেন রাষ্ট্রপতি সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই : জামায়াতের নায়েবে আমির স্পিকার হলেন মেজর (অব.) হাফিজ, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সংসদে প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন খন্দকার মোশাররফ সংসদের অধিবেশন চলাকালীন রাজধানীতে বিশেষ ট্রাফিক নির্দেশনা ইরানকে উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলা বন্ধের আহ্বান জানাল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: দ্বিগুণের বেশি দামে তিন কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু আজ বাড্ডায় নির্মানধীন বাড়ির দেয়াল ধ্বসে দুই শিশুর মৃত্যু ঢাকাসহ ১২ অঞ্চলে সন্ধ্যার মধ্যে ঝড়-বৃষ্টির আভাস

মার্কিন পণ্যে আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে এনবিআর: শফিকুল আলম

  • ১২:১৯ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৫
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে রিপোর্ট।।
যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা শুল্ক নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা ৩২ মিনিটে ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এর প্রতিক্রিয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব জানান,  বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ।

পোস্টে প্রেস সচিব লিখেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুততম সময়ে শুল্কহার যৌক্তিক করার বিভিন্ন বিকল্প খুঁজে বের করবে, যা এই বিষয়টি সমাধানে অত্যন্ত জরুরি।

তিনি আরও লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করে আসছি।

প্রেস সচিব বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।

উল্লেখ্য, এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ নীতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। হোয়াইট হাউজ প্রকাশিত একটি চার্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশ কার্যত মার্কিন পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। তাই বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ ‘ডিসকাউন্টেড রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ ধার্য করা হয়েছে বলে ঘোষনা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

প্রসংগত, যেসব দেশ মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা নিতে ট্রাম্প প্রশাসন ‘লিবারেশন ডে’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই ‘রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ’ চালু করেছে। হোয়াইট হাউজ নতুন এই শুল্ক কাঠামোকে ব্যাখ্যা করছে দীর্ঘদিনের একতরফা বাণিজ্য সম্পর্কের সংশোধনমূলক ব্যবস্থা হিসেবে।

তবে অর্থনীতিবিদ ও বাণিজ্য সংস্থাগুলোর একাংশ সতর্ক করে বলছে, এই নীতি প্রতিশোধমূলক শুল্কের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং এতে করে মার্কিন ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের ব্যয় বেড়ে যাবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech