।।বিকে রিপোর্ট।।
রাঙামাটি পাবলিক হেলথ এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৭টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার ২০ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত ঘটে। রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের ২ টি টিম প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান বিকাল ৫ টা নাগাদ হঠাৎ একটি আগুনের ফুলকি দেখতে পায় আমরা কাচা ঘর হওয়ায় তাৎক্ষনিক পুরো আগুন বড় হতে থাকে। স্থানীয়রা অনেক চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়নি। আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। মুহুর্তের মধ্যে আরো দুটি ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় তারা।
এ সময় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, রাঙামাটি ইউনিটের ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা করে এবং আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে।
প্রত্যক্ষদর্শী সুমন চাকমা বলেন, রাজদ্বীপ থেকে পাবলিক হেল্থ এলাকায় পানি পথে পারাপার হচ্ছিলাম। সে সময় দেখি একটি বসতবাড়ি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে চারদিকে আগুনের শিখা ছড়িয়ে যাচ্ছে। পরে এলাকাবাসীরা ফায়ার সার্ভিস টিমকে কল দেয়।
সেলিম মিয়া বলেন, আগুন বসত বাড়ি থেকে লেগেছে। তবে আগুন কোথা থেকে সূত্রপাত তা জানি না। আগুন নিয়ন্ত্রণে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের টিম কাজ করেছে।
রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের রাঙ্গামাটি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকতা নুরুল হুদা জানান, বিকালে আগুনের খবর পেয়ে আমরা ফায়ার সার্ভিসের ২ টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে কাজ শুরু করে। কাপ্তাই হ্রদের পানি কাছে থাকায় হ্রদে পাইপ লাগিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়।
অগ্নিকাণ্ডে মোট সাতটি বসতবাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে আগুনের সূত্রপাত কোথা থেকে এবং কি পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্তের শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতির হিসাব নিরূপণের কাজ চলছে। এলাকা ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আমাদের কিছুটা বেগ পেতে হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করেন।