শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূলপর্ব শুরু আজ দূরপাল্লায় কিলোমিটারে ২০ পয়সা ও শহরে ১৮ পয়সা বাসভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী জন্মস্থানেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এমপি নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি সংকট মোকাবেলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিফলন ইয়েমেনের বন্দরশহরে সৌদির বিমান হামলায় নিহত ৬ জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারে বাড়লে দেশেও চাপ সইতে হয়: বাণিজ্যমন্ত্রী সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭, স্কুল বন্ধ ঘোষণা

  • ০২:১৬ পিএম, বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
ছবি কোলাজ: সংগৃহিত

।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট প্রাণঘাতী ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যায় শ্রীলঙ্কায় অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশটির মধ্যাঞ্চলের পার্বত্য এলাকার স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ০৪ আগস্ট আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা ঞয়, পার্বত্য অঞ্চলে প্রবল বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। অঞ্চলটি ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহের ধ্বংসযজ্ঞ থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। গত নভেম্বরে আঘাত হানা এই ঘূর্ণিঝড়ে প্রায় ৬৪০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এ ঘটনায় দেশটির আনুমানিক ৪ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছিল।

সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র প্রদীপ কোডিপ্পিলি বলেছেন, মধ্যাঞ্চলে ভূমিধসে দুটি বাড়ি চাপা পড়ে পাঁচজন এবং বন্যায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

তিনি জানান, বৃষ্টি ও বন্যায় ১২৯টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

বন্যার পানিতে আটকে পড়া বাসিন্দাদের কাছে পৌঁছাতে কর্তৃপক্ষ নৌবাহিনী ও স্থলবাহিনী মোতায়েন করেছে। স্থানীয় সম্প্রচারমাধ্যম হিরু টিভির প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, সৈন্যরা বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া সড়ক দিয়ে হেঁটে আটকে পড়া পরিবারগুলোকে উদ্ধার করছেন।

শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলের নুয়ারা এলিয়া ও বাদুল্লা জেলা খাড়া ভূখণ্ডে অবস্থিত। অঞ্চলটি দীর্ঘদিন ধরে বর্ষাকালে ভূমিধসের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। এ সময় টানা বৃষ্টিপাতের ফলে পাহাড়ের স্যাঁতসেঁতে ঢাল ধসে পড়ে।

২০২৫ সালের শেষের দিকে দেশটি এ ধরনের অন্যতম প্রাণঘাতী একটি ঘটনার সাক্ষী হয়েছিল। সে সময় ঘূর্ণিঝড় দিতওয়াহের কারণে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় একই চা উৎপাদনকারী অঞ্চলে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়। ওই সময়ও দেশব্যাপী স্কুল ও অফিস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোর স্কুল কবে খুলবে, সে বিষয়ে এখনও কর্তৃপক্ষ কোনো ঘোষণা দেয়নি। কর্মকর্তারা বলছেন, এ সিদ্ধান্ত আগামী দিনগুলোতে আবহাওয়ার পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

সূত্র: আল জাজিরা

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech