Breaking News:


শিরোনাম :
শেরপুরে সংঘর্ষ ও হত্যার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে শেরপুর জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত শেরপুরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাউজানে নলকূপের গর্তে পড়া সেই শিশুকে মৃত ঘোষণা যারা নিজেরাই ভোট কেনে, তারা আবার দুর্নীতির গল্প শোনায় : মাহদী আমিন সমুদ্রের নিচে থাকা মিসাইলের সুড়ঙ্গ উন্মোচন করল ইরান টেকসই অর্থায়ন ও বিনিয়োগ জোরদারে বিএসইসি ও ইউএনডিপি‘র সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর গোপালগঞ্জে বিচারকের বাসভবনে ককটেল নিক্ষেপ পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য ও নাগরিক বান্ধব আচরণের মাধ্যমে দায়িত্ব পালনে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন- সেনাপ্রধান

ভারতীয় কূটনীতিকদের পরিবারকে সরিয়ে নেওয়ার কোনো কারণ দেখছেন না পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

  • আপলোড টাইম : ১১:৫৬ এএম, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩ Time View
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের বাংলাদেশ থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি কোনো কারণ দেখছেন না।

বুধবার ২৮ জানুয়ারী বিকেলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তার দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। তারা (ভারত) তাদের কর্মকর্তা বা তাদের পরিবারের সদস্যদের যেকোনো সময় ফিরে যেতে বলতে পারেন।

ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের প্রত্যাহারের পেছনে কোনো শঙ্কা বা সংকেত আছে কিনা, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, শঙ্কা নেই। আর সংকেত যে কী, আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

উপদেষ্টা পুনরায় উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি যা ভারতীয় কূটনীতিক বা তাদের পরিবারের জন্য শঙ্কার ইঙ্গিত দেয়। আশঙ্কা হয়তো তাদের মনে আছে কিংবা তারা কোনো মেসেজ (বার্তা) দিতে চান কি না, সেটা স্পষ্ট নয়। তবে আমি আসলে এটার মধ্যে কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

উপদেষ্টা বলেন, ভারতের কূটনীতিকদের পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা-উদ্বেগের বিষয়ে সরকারকে কোনো কিছু জানানো হয়নি।

সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সামগ্রিকভাবে নিরাপত্তার কোনো বিঘ্ন ঘটেনি।

ড্রোন উৎপাদনে চীনের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তৌহিদ হোসেন বলেন, ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরের জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) পর্যায়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যদি অন্য কোনো দেশের সহায়তায় কোনো শিল্প বা কারখানা স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে তা হবে নিজস্ব সার্বভৌম সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে। অন্যরা কী ভাবছে, তা কোনো বিষয় নয়। সূত্র-বাসস।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech