কুমিল্লা ১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে সাতজন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৫ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হবে।
তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. শামছুদ্দোহা, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজি নুরে আলম ছিদ্দিকি, আমজনতার দল প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) প্রার্থী রমিজ বিন আরিফ, বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী হাছান আহম্মেদ।
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৬ হাজার ২২৭ জন। এর মধ্যে প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৮৭ হাজার ১১৫টি। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. শামছুদ্দোহা পেয়েছেন ৭ হাজার ৭৬২ ভোট, যা প্রাপ্ত বৈধ ভোটের বিপরীতে ২ দশমিক ৭ শতাংশ। মুক্তিজোট প্রার্থী কাজি নুরে আলম ছিদ্দিকি পেয়েছেন মাত্র ৩১৭ ভোট, অর্থাৎ শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ। আমজনতার দল প্রার্থী মো. আব্দুল্লাহ আল নোমান পেয়েছেন ৩৬৬ ভোট, অর্থাৎ শূন্য দশমিক ১৩ শতাংশ। গণঅধিকার পরিষদ প্রার্থী রমিজ বিন আরিফ পেয়েছেন ২৭৬ ভোট, অর্থাৎ শূন্য দশমিক ১০ শতাংশ। বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী হাছান আহম্মেদ পেয়েছেন ৩৯৭ ভোট, অর্থাৎ শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিপত্রে বলা আছে, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকায় প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ না পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এই পরিপত্র অনুযায়ী, কুমিল্লা ১০ আসনে জামানত বাজেয়াপ্ত না হতে প্রতিজন প্রার্থীকে কমপক্ষে ৩৫ হাজার ৮৯০ ভোট পেতে হতো। সে হিসাব অনুযায়ী সাতজন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনেরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এই আসন থেকে ১ লাখ ৬১ হাজার ৮৪৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ১৫০ ভোট।