।।বিকে আন্তর্জাতিক ডেস্ক।।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বহুল প্রতীক্ষিত চীন সফর শুরু করেছেন। ইরানের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত চীন সফর শুরু করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৯ বছর পর চীন সফরে গেলেন ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ১২ মে (স্থানীয় সময়) তিনি চীনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। আজ ১৩ মে থেকে আগামী ১৫ মে পর্যন্ত দেশটিতে অবস্থান করবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
শি চিনপিংয়ের সঙ্গে তিনি ঐতিহাসিক ‘টেম্পল অফ হেভেন’ পরিদর্শন করবেন বৃহস্পতিবার (১৪ মে)
তার এ সফরটি আরও আগে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধে জড়িত হওয়ায় ট্রাম্পের বেইজিং সফর পিছিয়ে যায়। ধারণা করা হয়েছিল, যুদ্ধ থামার পর তিনি চীন যাবেন। তবে যুদ্ধ এখন পর্যন্ত থামেনি। এর আগেই তিনি তার এ রাষ্ট্রীয় সফর শুরু করেছেন।
সফর প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, আমরা বিশ্বের দুই পরাশক্তি। সামরিকভাবে আমরাই সেরা, আর চীন দ্বিতীয়। শি চিনপিংয়ের সঙ্গে আমার আলোচনার প্রধান বিষয় হবে বাণিজ্য।’ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও এ বিষয়ে চীনের সহায়তা নিতে নারাজ ট্রাম্প।
পর্যবেক্ষক সংস্থা এশিয়া গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চীন বিষয়ক শীর্ষ উপদেষ্টা কুর্ট কাম্পবেল বলেছেন, এটি উল্লেখযোগ্য যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এমন (যুদ্ধ চলা) অবস্থায় চীনে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়েছেন। আমি সঙ্গে এও বলব চীন এমন অবস্থায় যে তাকে স্বাগত জানাচ্ছে এটিও অত্যন্ত অস্বাভাবিক।
চীন এবং ইরান দুটি মিত্র দেশ একই সঙ্গে বাণিজ্যিক অংশীদার। চীনের এই মিত্রর ওপর যুক্তরাষ্ট্র টানা ৪০ দিন বোমাবর্ষণ করেছে। এছাড়া ইরানি বন্দরগুলোতে এখন নৌ-অবরোধ আরোপ করে রেখেছে। তা সত্ত্বেও ট্রাম্পের রাষ্ট্রীয় সফরটি এগিয়ে গেছে।
কুর্ট কাম্পবেল বলেন, এত কিছু সত্ত্বেও ট্রাম্পের চীন যাওয়ার বিষয়টি ইঙ্গিত করছে তার এবং চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে হতে যাওয়া বৈঠকে মধ্যে দুই দেশেরই স্বার্থ জড়িত রয়েছে। আমার মনে হয় তাদের মধ্যে যে ভঙ্গুর সম্পর্ক রয়েছে সেটিও টিকিয়ে রাখার অংশ ট্রাম্পের এ সফর।
সূত্র: এনপিআর