শিরোনাম :
হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান: মঙ্গলবার দোহায় বৈঠক শুরু নকআউটের উত্তেজনা : কে কার মুখোমুখি বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আর নেই বিপদ সীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপরে বইছে তিস্তা, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাননি, এখনো সময় আছে ভেবে দেখুন- মির্জা ফখরুল তাপপ্রবাহে ইউরোপে ১,৩০০ জনের বেশি মৃত্যুর রেকর্ড: ডব্লিউএইচও উদ্যোক্তা তৈরির হার ‘ব্যাপক’ কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে: শিল্পমন্ত্রী ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ দেশের ১১ জেলায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, চঞ্চলের ২০ বছরের কারাদণ্ড

উদ্যোক্তা তৈরির হার ‘ব্যাপক’ কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে: শিল্পমন্ত্রী

  • ১১:০৬ এএম, সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
দেশে গত ১২ থেকে ১৫ বছরে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির হার আশঙ্কাজনকভাবে কমে যাওয়ায় আয় বৈষম্য বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিল্প, বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

রবিবার ২৮ জুন আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে দেশে নতুন উদ্যোক্তা খুবই কম সৃষ্টি হয়েছে। যারা আগে থেকেই শিল্প-কারখানার মালিক ছিলেন, তারাই মূলত আরও বড় হয়েছেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ ছিল শিল্পে গ্যাসের অপ্রতুলতা।

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘১৯৯১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশে যে হারে নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছিল, পরবর্তী ১০ থেকে ১৫ বছরে সেই হার নাটকীয়ভাবে কমে যায়। ফলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ও সম্পদের প্রবাহ নির্দিষ্ট কিছু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে। আয় বৈষম্য বৃদ্ধির এটি একটি বড় কারণ।’

তিনি বলেন, ১৫ থেকে ২০ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে দেশে আয় বৈষম্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

বৈশ্বিক আয় বৈষম্য সূচকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘ইনকাম ডিসপারিটির সূচক শূন্য থেকে এক পর্যন্ত। এই সূচক যত বাড়ে, বৈষম্যও তত বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে আমাদের দেশে এই বৈষম্য আগের তুলনায় অনেক বেশি।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প (এমএসএমই) খাতের অবদান কম। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে এ খাতের অবদান প্রায় ২৫ শতাংশ।

মন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির গতিশীলতা বজায় রাখতে এমএসএমই খাতকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ জন্য নতুন উদ্যোক্তা তৈরিতে সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় নীতি সহায়তা, অর্থায়ন ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে নতুন উদ্যোক্তা তৈরির কোনো বিকল্প নেই। তাই এমএসএমই খাতের বিকাশে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech