।।বিকে ডেস্ক।।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে।
চূড়ান্ত ফলাফলে বিভিন্ন সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারে মোট ১ হাজার ৩২০ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সরকারের কাছে সাময়িকভাবে সুপারিশ করা হয়েছে।
রবিবার ২৮ জুন পিএসসির প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিশন জানায়, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ এবং সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এসব প্রার্থীকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।
চূড়ান্ত ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইট এবং নোটিশ বোর্ডে প্রকাশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পুলিশ ভেরিফিকেশন, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাইসহ সরকারি বিধি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তির পদের চেয়ে এত বিপুলসংখ্যক প্রার্থী কম সুপারিশ পাওয়ার কারণ জানিয়েছে পিএসসি। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মূলত টেকনিক্যাল বা কারিগরি ক্যাডারগুলোয় প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থী পাওয়া যায়নি। শিক্ষা, চিকিৎসাকেন্দ্রিক পদ বা প্রকৌশল ক্যাডারের লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় পিএসসির নির্ধারিত ন্যূনতম পাস নম্বর অনেকেই পাননি। উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়ায় এই পদগুলো পূরণ করা সম্ভব হয়নি।
এর আগে ৪৭তম বিসিএসের পরীক্ষার্থীরা ক্যাডার ও নন–ক্যাডার পদসংখ্যা বাড়ানোর জন্য দাবি করেছিলেন। প্রার্থীরা আশা করেছিলেন পূর্ববর্তী বিসিএসগুলোর মতো এবারও শূন্য পদ আরও বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু পদ বৃদ্ধি তো দূরের কথা, টেকনিক্যাল ক্যাডারে যোগ্য প্রার্থীর অভাবে মূল বিজ্ঞপ্তির পদের একটি বড় অংশই কমিশনকে খালি রাখতে হয়েছে।