শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীন সমঝোতা স্মারক সই- মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী গত ২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫৭৭ মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরে স্বস্তি: কড়া নিরাপত্তায় উৎপাদনে শ্রমিকরা সরকার বলপ্রয়োগের মাধ্যমে আন্দোলন থামানোর চেষ্টা করছে: নাহিদ ইসলাম অবশেষে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু ট্রাম্পের পরাজয়ে ইরানিদের উল্লাস আর উপহাস মানি চেঞ্জারদের বৈদেশিক মুদ্রা জমার হিসাব খোলার সুযোগ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • ০৭:২৫ পিএম, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
পলাতক ও ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ায় ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে কোনো সাধারণ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে না। দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে দিল্লি থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা একজন পলাতক, ফ্ল্যাগড সন্ত্রাসী ও টেরোরিস্ট। সে কি তার শ্বশুরবাড়ি রংপুরে বেড়াতে এসেছে যে তাকে পাসপোর্ট দিতে হবে, আর পাসপোর্ট দিয়ে সে আসবে? আমাদের সঙ্গে ভারতের একটি এক্সট্রাডিশন ট্রিটি রয়েছে। সন্ত্রাসী এবং ক্রিমিনালকে ধরার জন্য এই চুক্তি। একজন টেরোরিস্ট ক্রিমিনালকে ধরতে পাসপোর্ট লাগে না, লাগে জুডিশিয়াল প্রসেস।

তিনি বলেন, পালিয়ে যাওয়া এই টেরোরিস্ট, যে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করে পালিয়ে গেছে, তাকে আমরা কোনোভাবেই একজন সাধারণ কমার্শিয়াল ট্রাভেলার হিসেবে দেখতে পারি না। আমরা তার হ্যান্ডওভার চাই। বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে যে এক্সট্রাডিশন ট্রিটি রয়েছে, সেই অনুযায়ী এই ক্রিমিনালকে হ্যান্ডিং ওভার করতে হবে।

বাংলাদেশ-চীন-মিয়ানমার পরিকল্পিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, করিডোর নিয়ে কোনো ভূ-রাজনৈতিক শঙ্কা দেখছে না বাংলাদেশ। এটি বাস্তবায়িত হলে পুরো অঞ্চলটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্রে পরিণত হবে। এই আঞ্চলিক করিডোরে যুক্ত হতে ঢাকার যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে। তবে এর আগে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, লিউ হাইশিংয়ের এই সফরের মধ্য দিয়ে আগামী দিনে চীন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর ও গতিশীল হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech