।।বিকে রিপোর্ট।।
বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টুর মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রবিবার ১৫ জুন এক শোকবার্তায় তারেক রহমান বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মোস্তফা মোহসীন মন্টুর মৃত্যুতে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হলো। তিনি ছিলেন এদেশের একজন সুপরিচিত রাজনীতিবিদ। স্বাধীনতা-সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধসহ জাতির নানা ক্রান্তিকালে তার অবদান ছিল অসামান্য। তার বিবেচনাপ্রসূত সিদ্ধান্ত জনস্বার্থে খুবই কার্যকর হতো।
৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্যও তিনি দেশবাসীর কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
তারেক রহমান মোস্তফা মোহসীন মন্টুর রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার পরিবার-পরিজন ও শুভ্যানুধ্যায়ীদের সমবেদনা জানান।
একই দিনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও শোক বার্তায় বলেন, মোস্তফা মোহসীন মন্টু আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। গণফোরামের সভাপতি হিসেবেই তার পরিচয় নয়। তার মূল পরিচয় হচ্ছে, তিনি সত্যিকার অর্থেই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। পুরো সত্তরের দশকজুড়ে তিনি স্বাধীনতার সংগ্রাম করেছেন। পরে স্বাধীনতা যুদ্ধ করেছেন। প্রত্যক্ষভাবে যুদ্ধ করেছেন।
রবিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
জাতীয় নাগরিক পার্টি – এনসিপিও তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে।
শোকবার্তায় বলা হয়, মোস্তফা মোহসীন মন্টু বাংলাদেশের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক লড়াই সংগ্রামের অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন। গণঅভ্যুত্থান-উত্তর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ অভিমুখী রাজনীতিতে আমরা তার শূন্যতা অনুভব করব।
প্রবীণ রাজনীতিবিদ, গণফোরামের সভাপতি এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক মোস্তফা মোহসীন মন্টু বাংলাদেশের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক লড়াই সংগ্রামের অন্যতম যোদ্ধা ছিলেন বলে বার্তায় বলা হয়।
উল্লেখ্য, রবিবার ১৫ জুন বিকেল ৫টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও গণফোরাম সভাপতি মোস্তফা মোহসীন মন্টু। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।
রবিবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাটাবন মনোয়ারা মসজিদে অনুষ্ঠিত মোস্তফা মোহসীন মন্টুর প্রথম জানাজায় অংশগ্রহণ করেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং ঢাকা মহানগরের সংগঠক সর্দার আমীরুল ইসলাম।