শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো খুলনা সফর: দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কূটনীতিক ও পরিবারের সদস্যদের সৌদি ত্যাগের নির্দেশ ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ বিজয়া দশমীতে বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় প্রাণ গেল নববধূর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা হুতিরা পাল্টা আঘাত করলো সৌদি আরবে: দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, লাগবে লাইসেন্স বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে: লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে

ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে অন্তত ২০টি নদী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে: হাফিজ উদ্দিন

  • ০৮:৪২ পিএম, শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
ফারাক্কা ব্যারেজের কারণে অন্তত ২০টি নদী নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যৌথ নদী কমিশনে চিঠি দিয়েও ভারত থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায় না- বলেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

শনিবার ৩০ আগস্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে সমাজ চিন্তা ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, আন্তর্জাতিক আইন দুর্বল হওয়ায় ছোট দেশগুলো ন্যায্য হিস্যা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ভারতের স্পার নির্মাণের ফলে বাংলাদেশের নদীতে তীব্র স্রোত তৈরি হয়ে বাঁধ ভেঙে যায়, আর নতুন বাঁধ দিতে গেলেই বিএসএফ বাধা দেয়।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও নদী আজ সবচেয়ে অবহেলিত। অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা না পেয়ে এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে দেশ ভয়াবহ পানি সংকটে পড়ছে।

ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার, ফারাক্কা ও গজলডোবা ব্যারেজের কারণে শুষ্ক মৌসুমে ভাটির দিকে পানি প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, নাব্যতা, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নদী উপেক্ষিত। ভারতের বাধ, বাংলাদেশের নিজস্ব উন্নয়ন প্রকল্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পানিসংকট ভয়াবহ আকার নিচ্ছে। নদী রক্ষা করতে হলে উন্নয়ন দর্শন পরিবর্তন করতে হবে, ক্ষতিকর প্রকল্প বাদ দিতে হবে এবং ঋণদাতাদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ হলেও নদী আজ সবচেয়ে অবহেলিত। অভিন্ন নদীর ন্যায্য হিস্যা না পেয়ে এবং অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনার কারণে দেশ ভয়াবহ পানি সংকটে পড়ছে। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার, ফারাক্কা ও গজলডোবা ব্যারেজের কারণে শুষ্ক মৌসুমে ভাটির দিকে পানি প্রবাহ কমে যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে কৃষি, নাব্যতা, জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর। দেশে প্রায় ১,৪১৫ নদী থাকলেও কতগুলো এখন জীবিত আছে তা সঠিকভাবে জানা নেই। নদী দূষণ, দখল, খাল ভরাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে বহু নদী খালে, খাল মরা খালে পরিণত হয়েছে।

অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর বাড়তি চাপের ফলে পানির স্তর প্রতিবছর গড়ে তিন মিটার নিচে নামছে; কোথাও কোথাও ৪০ মিটার পর্যন্ত নেমে গেছে।

দেশে প্রায় ১ হাজার ৪১৫টি নদী থাকলেও কতগুলো এখন জীবিত আছে তা সঠিকভাবে জানা নেই। নদী দূষণ, দখল, খাল ভরাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে বহু নদী খালে, খাল মরা খালে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে,

ওয়ারপো কেবল পানি নীতির ওপর কাজ করছে, কিন্তু ভূগর্ভস্থ পানির টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা বোর্ড গঠন জরুরি।

সভায় উপস্থিত ছিলেন আমাদের সময়ের সম্পাদক আবু সাঈদ খান, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক জামসেদ আনোয়ার তপন, বিল্পবী ওয়াকার্স পার্টি সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, জ্বালানি ও পানি বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী বিনি রাহমাতুল্লাহ প্রমুখ।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech