মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে বাড়তে থাকা সংঘাত ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। টানা হামলা-পালটা হামলায় অস্থির হয়ে উঠেছে পুরো অঞ্চল। এই পরিস্থিতিতে কোটি কোটি মানুষ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। এর
ইরান পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে বলে যে অজুহাত দেখিয়ে দেশটিতে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল তার প্রমাণ মেলেনি। আজ মঙ্গলবার(৩ মার্চ) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে রাশিয়া। মস্কো জানায়, ইরান
ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৭৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মার্কিন ভিত্তিক ইরানের মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ১৭৬ জন শিশু এবং
ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় প্রথম ২৪ ঘণ্টাতেই যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় হয়েছে আনুমানিক ৭৭৯ মিলিয়ন ডলার। এই বিপুল পরিমাণ অর্থ ২০২৬ সালের পুরো মার্কিন প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ০.১ শতাংশের সমান। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি)
ইরান-ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার যুদ্ধ নিয়ে বেইজিংয়ের অবস্থান পরিষ্কার করে চীন জানিয়েছে, তারা ইরানকে কোনো ধরণের সামরিক সহায়তা বা অস্ত্র সরবরাহ করবে না। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের
সৌদি আরবের রিয়াদের আরামকোতে হামলা ছিল একটি ইসরাইলি ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ বা ভুয়া পরিচয়ে চালানো গোপন অপারেশন। এর লক্ষ্য হলো ইরানে আক্রমণের অপরাধ থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিভ্রান্ত করা বা মনোযোগ অন্যদিকে
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত বছরের পর বছর ধরে টানার কোনো পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের নেই বলে জানিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট
দ্রুত মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশ থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক পদক্ষেপের জেরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের এক ডজনের বেশি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে প্রতিবেশী যেসব দেশে মার্কিন ঘাঁটি রয়েছে, সেগুলোতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। তেহরানের এসব হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে জ্বালানি স্থাপনাও। সোমবার এ ধরনের কয়েকটি হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে গ্যাস
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৯৬ জন নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৮৫ জন বেসামরিক নাগরিক এবং ১১ জন সামরিক সদস্য রয়েছেন। মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস