শিরোনাম :
ঢামেকের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী: বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন টানা ভারী বর্ষণে বন্যা-পাহাড়ধস: ২৬ জন নিহত, পানিবন্দী লাখো মানুষের জীবন বান্দরবানে সব পর্যটনকেন্দ্র ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা বেলজিয়ামকে বিদায় করে সেমিফাইনালে টানা ৩৬ ম্যাচ অপরাজিত স্পেন শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারে আদালতের নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ শেখ হাসিনার জন্য ফাঁসির দড়ি অপেক্ষা করছে : নাহিদ ইসলাম স্পেনে ভয়াবহ দাবানলে নিহত ১২ জন, নিখোঁজ ২৩ সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে : বিক্রেতারা বলছেন বৃষ্টির প্রভাব, ক্রেতারা বলছেন অজুহাত বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী ১৬ অঞ্চলে ঝড়বৃষ্টির আভাস, চট্টগ্রামে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে-ভূমিধ্বস ও জলাবদ্ধতার শঙ্কা

ছেলের চিকিৎসায় সামর্থ্যবানদের সহযোগিতা চান বিধবা নুরুন্নাহার

  • ০৮:০৩ পিএম, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য। মানুষের জীবন বাঁচাতে পাশে দাঁড়ানো আর সহায়তার হাত বাড়ানোর কাজটাও মানুষই করে। এভাবেই যদি সমাজের বিত্তবান থেকে শুরু করে সবাই সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বাড়ান, তাহলে বেঁচে যেতে পারেন প্রবাসফেরত আব্দুস ছবুর।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার কলাউজান ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড আদার চর মাস্টারপাড়ার বাসিন্দা আব্দুস ছবুর। বাবাহীন পরিবারে বিধবা মা, দুই বোন, এক সন্তান এবং স্ত্রীর সুখের কথা চিন্তা করে জীবিকার টানে পাড়ি জমিয়েছিলেন মরুভূমির দেশ ওমানের মাস্কাটে। সেখানে চার বছর মোটামুটি জীবন পার করেছেন তিনি। কিন্তু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো ছবুর আজ পড়ে আছেন হাসপাতালের বিছানায়।
শরীরে তেমন কোনো সমস্যা ছিল না। কিন্তু গত বছরের নভেম্বরের শেষের দিকে কাজ করার সময় গাছ থেকে পড়ে আহত হন। এরপর মেডিকেল চেকআপ করালে দেখা যায় ঘাড়ের অংশবিশেষ ও মেরুদণ্ড ভেঙে তার হাড়গুলো স্থানচ্যুত হয়ে গেছে।

দেশে ফিরে এসে কিছুদিন চট্টগ্রাম মেডিকেলে চিকিৎসা করান ছবুর। এরপর নগরীর ন্যাশনাল হাসপাতালে ব্রেইন ও স্পাইন সার্জন ডা. মো. মনজুরুল ইসলামের অধীনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি ওই হাসপাতালের ৭ম তলায় ভর্তি রয়েছেন।

ছবুরের চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। অভাব অনটনের সংসারে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয় পরিবারটির। স্থানীয়রা ছবুরের পাশে এগিয়ে এলেও এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান ছবুরের মামাতো ভাই হারুনুর রশিদ। তাকে সুস্থ করে তুলতে ওমান দূতাবাস ও প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চেয়েছে ছবুরের পরিবার।

ছবুরের মা বিধবা নুরুন্নাহার জানান, সরকার ও হৃদয়বান মানুষদের সহযোগিতা পেলে ছবুর আবারও আগের মতো সুস্থ হয়ে উঠবেন। তাই ছেলের সুস্থতার জন্য প্রবাসীদের কাছেও দোয়া ও সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।

রোগী ছবুর- ০১৬২২৩২৯৯৪৩ (নগদ) ও মামাতো ভাই হারুন- ০১৮৭৮২১০৭৯৮ (বিকাশ)।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech