শিরোনাম :
হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেটে ৩ শিশুর মৃত্যু আব্দুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন রাষ্ট্রপতি ইউরোপের ইতিহাসে ভয়ঙ্করতম গ্রীষ্ম, ৫০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত সাইবার নিরাপত্তায় সতর্কতা, বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট কিশোরগ্যাং নির্মূলে চিফ হুইপের কঠোর নির্দেশনা, এক অভিযানে আটক ২১ এনসিপির কমিটি পুনর্গঠন আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্যসচিব আখতার হোসেন দেশজুড়ে আংশিক মেঘলা আকাশ ও শুষ্ক আবহাওয়া বজায় থাকবে মঈন খান হাসপাতালে ভর্তি, দেখতে গেলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ডেঙ্গুতে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১৫১২

তাপমাত্রা কমে শীত কিছুটা বাড়ল

  • ১০:৪৯ এএম, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
সংগৃহিত

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আজ তাপমাত্রা কমেছে। রাজধানীতে এক দিনের ব্যবধানে আজ দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা কমে গেছে। তাপমাত্রা কমেছে উত্তরের জনপদসহ দেশের অন্যত্রও। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, আগামীকালও এমন অবস্থা থাকতে পারে। তবে এর পর থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে। এ মাসে অবশ্য নতুন করে শৈত্যপ্রবাহের সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তারা।

আজ দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সোমবারও এখানেই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ এক দিনের মধ্যে দেড় ডিগ্রি তাপমাত্রা কমে গেছে।
দেশের অন্য যেসব এলাকায় শীত বেশি পড়ে, সেখানেও আজ তাপমাত্রা কমে গেছে গতকালের তুলনায়। যেমন বেশি শীত পড়া এলাকা মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে আজ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সেখানে ছিল ১৪ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

চুয়াডাঙ্গায় আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল সেখানে তাপমাত্রা ছিল ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা আজ প্রথম আলোকে বলেন, আজ তাপমাত্রা গতকালের চেয়ে কমেছে অনেক স্টেশনেই। আগামীকালও এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বুধবার থেকে তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে। পরে আবার কিছুটা কমে তাপ কিন্তু শৈত্যপ্রবাহের কোনো সম্ভাবনা নেই।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে শূন্য দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে একই পরিমাণ বেশি ছিল গত ডিসেম্বর মাসেও। এ বছর জানুয়ারি মাসে একটিও তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়নি। ২০১৬ সালের পর এমনটি হলো।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech