শিরোনাম :
গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সুইডিশ কূটনীতিককে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান ছাড়ার নির্দেশ সারাদেশে একযোগে ৯৯ জন বিচারক বদলি ডেঙ্গুতে সাতদিনে ৩৩ জনের মৃত্যু সাইবার আইন সংশোধন: বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি-সম্মানের নতুন ভারসাম্য পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, এসবির প্রধান হলেন কামরুল আহসান বাদ ৫৯ লাখ অযোগ্য কার্ড, ভর্তুকিমুক্ত হচ্ছে টিসিবি সার-কীটনাশক নিয়ে শঙ্কায় লালমনিরহাটের আমন চাষিরা সার পাচারের ভিডিও ভাইরাল: ডিলারের দাবি ‘চাঁদাবাজির নাটক’ বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসির অধীনে স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না : গোলাম পরওয়ার

কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে ৬৮৬ কোটি টাকার দুর্নীতি : ওবায়দুল কাদেরসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা

  • ০৯:৫২ পিএম, বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ প্রকল্পে অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাষ্ট্রের প্রায় ৬৮৬ কোটি টাকা আর্থিক ক্ষতি করার অভিযোগে সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার ২৮ আগস্ট দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপপরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন— সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সেতু বিভাগের সাবেক সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, সাবেক প্রধান প্রকৌশলী কবির আহমদ ও সাবেক যুগ্ম সচিব আলীম উদ্দিন আহমেদ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, পরস্পর যোগসাজশে অসৎ উদ্দেশ্যে ক্ষমতার অপব্যবহার কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পে নেগোসিয়েশন কমিটির নেগোসিয়েশন মূল্য উপেক্ষা করে এবং নিজেদের নিয়োজিত বিদেশি বিশেষজ্ঞের সুপারিশবিহীন অতিগুরুত্বপূর্ণ নয় এমন তিনটি কাজ পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়ার এবং একটি ট্যাগ বোর্ড অন্তর্ভুক্তি করে সরকারের ৫৯.৮০ মিলিয়ন ডলার বা ৫৮৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

এ ছাড়া  অবৈধভাবে পিপিএ ২০০৬ এর সংশ্লিষ্ট বিধান লঙ্ঘন করে ৫৫ লাখ ২১ হাজার ১৮৬ টাকা ব্যয়ে পরামর্শক নিয়োগ করেও সরকারের ক্ষতিসাধন করেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০বি/৪০৯/১০৯ ধারা তৎসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায়  মামলা রুজু করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে আরও জানা যায়, নেগোসিয়েশন কমিটি মূল্যে ৬৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে প্রকল্প বাস্তবায়নের সুপারিশ করলেও অতিরিক্ত তিনটি খাত (পরিষেবা এলাকা, পর্যবেক্ষণ সফটওয়ার ও ট্যাগ বোট) অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেগুলো প্রকৃতপক্ষে অপ্রয়োজনীয়। বিদেশি বিশেষজ্ঞরাও উল্লিখিত তিনটি কাজ অন্তর্ভুক্ত করার কোনো সুপারিশ করেননি। এসব খাতে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে সরকার ও জনগণের প্রায় ৫৮৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সূত্র- ঢাকা পোস্ট।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech