শিরোনাম :
সাইবার আইন সংশোধন: বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি-সম্মানের নতুন ভারসাম্য পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে বড় রদবদল, এসবির প্রধান হলেন কামরুল আহসান বাদ ৫৯ লাখ অযোগ্য কার্ড, ভর্তুকিমুক্ত হচ্ছে টিসিবি সার-কীটনাশক নিয়ে শঙ্কায় লালমনিরহাটের আমন চাষিরা সার পাচারের ভিডিও ভাইরাল: ডিলারের দাবি ‘চাঁদাবাজির নাটক’ বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসির অধীনে স্থানীয় নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে না : গোলাম পরওয়ার হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে হামলা ইরানের, কয়েক জন মার্কিন সেনা আহত সৌর বিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতে বড় ছাড়, শুল্ক-কর মাত্র ১ শতাংশ আগামী মাসে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যাবে জাতীয় গ্রিডে: রুশ রাষ্ট্রদূত সাগরে ফের লঘুচাপের আভাস, বৃষ্টি নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস

সাইবার আইন সংশোধন: বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তি-সম্মানের নতুন ভারসাম্য

  • ০১:৫১ পিএম, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি ঠেকানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে আয়োজিত ইউএস কনস্টিটিউশন ডে সেলিব্রেশন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের কাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সংশোধিত আইনে নাগরিকের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তির মর্যাদা এবং অনলাইনে তথ্য প্রচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।

তিনি স্পষ্ট করেন যে, মানুষের মতপ্রকাশের অধিকার যেমন রক্ষা করতে হবে, তেমনি অনলাইনে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কারও সম্মান যেন ক্ষুণ্ন না হয়, সেটিও নতুন আইনে সমানভাবে নিশ্চিত করা হবে।

সাইবার সুরক্ষা আইনটি বর্তমানে খসড়া পর্যায়ে রয়েছে উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী বলেন, আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে। এরই মধ্যে এই আইনের বিষয়ে গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণের প্রত্যাশার কথা মাথায় রেখে, সাধারণ মানুষ ঠিক যে ধরনের আইনি সুরক্ষা ও স্বাধীনতা চায়, সরকার সে ধরনের একটি যুগোপযোগী ও জনবান্ধব আইনই প্রণয়ন করবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

অনলাইনে অপসাংবাদিকতা ও গুজব ছড়ানোর বিষয়েও সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানান মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, সাংবাদিকতার নামে অনলাইনে কেউ যেন কোনো ধরনের অপতথ্য বা গুজব ছড়াতে না পারে, সংশোধিত সাইবার সুরক্ষা আইনে সে বিষয়টিও বিশেষভাবে বিবেচনায় রাখা হবে।

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেনামি বিভিন্ন পেজ বা নামসর্বস্ব সংবাদমাধ্যম থেকে ভুয়া ‘ফটোকার্ড’ ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করা হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

তিনি বলেন, মানুষের অধিকার সুরক্ষার পাশাপাশি সাইবার মাধ্যমে অপতথ্য বা অন্যের সম্মানহানির মতো বিষয়গুলো মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা থাকতে হবে। এ লক্ষ্যেই সংশোধিত আইন তৈরির কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের কাজ বর্তমানে খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। আইনটি চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

তিনি বলেন, জনগণ যে ধরনের আইন চায়, সরকার সে ধরনের আইনই প্রণয়ন করবে। এ জন্য এর আগে আইনটি নিয়ে গণমাধ্যমের সম্পাদকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত নেওয়া হয়েছে।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সংশোধনী তৈরির সময় বিভিন্ন পক্ষের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এতে আইনের প্রয়োজনীয়তা, বাস্তব প্রয়োগ এবং নাগরিক অধিকার—সবকিছুই পর্যালোচনা করা হবে।

সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধনের ক্ষেত্রে মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করাকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে
তিনি বলেন, একজন নাগরিক যেন তার মতামত প্রকাশ করতে পারেন, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সেই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে অন্য ব্যক্তির অধিকার বা মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা যাবে না।

তিনি বলেন, বাকস্বাধীনতার অধিকার যেমন রক্ষা করতে হবে, তেমনি একজন ব্যক্তির সম্মান ও মর্যাদার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে। সংশোধিত আইনে এ দুই দিক সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বিধান রাখা হবে।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, সাইবার জগতে মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার ও সামাজিক মর্যাদা রক্ষার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। তাই আইন সংশোধনের সময় এ বিষয়ে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech