।।বিকে রিপোর্ট।।
অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টার কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, তিনি কূটনীতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন, তবে তিনি কোথাও ‘যাবেন না’।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনসহ অন্তর্বর্তী সরকারের তিনজন উপদেষ্টা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন বলে সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।
মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়ার ‘হিড়িক’ নিয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, না না, হিড়িক না। আমি দিয়ে দিয়েছি। আমি আর যাব না কোথাও, সেটা এক নম্বর। আমার স্বাস্থ্যটা খুব ইসে না, আপনি জানেন। আমি আর এমন জরুরি কিছু না। আমি সাধারণত জরুরি মিটিং ছাড়া কোনো মিটিংয়ে যাই না। সেজন্য আমি দিয়ে দিয়েছি, অনেকেই দিয়ে দিচ্ছে। এটা নিয়ম হল, দিয়ে দেওয়া।
তার সঙ্গে তার স্ত্রীর পাসপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে বলেও সালেহউদ্দিন আহমেদ তুলে ধরেন।
উপদেষ্টাদের কূটনীতিক পাসপোর্ট জমা দেওয়া নিয়ে আলোচনার মধ্যে রবিবার ঢাকার কারওয়ান বাজারে সাংবাদিকদের জন্য নির্বাচন বিষয়ক এক প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশ্ন করা হয় পররাষ্ট্র উপদেষ্টকে।
তার পাসপোর্ট জমা দেওয়ার তথ্যটি সত্য নয় দাবি করে তিনি বলেন, নিজে না করলেও উপদেষ্টা পরিষদের কেউ কেউ কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়ে সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। তবে কারা করেছেন, তাদের নাম বলেননি তিনি।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, মন্ত্রীরা কেউ কেউ করছেন, কারণ এরপরে তাদের বাইরে যাওয়ার প্রশ্ন আছে। পাসপোর্ট তো এখন থেকে নিয়ে নিলেন, যাতে করে তাদের ভিসা নিতে সহজ হয় আরকি। সময়মতো তারা নিতে পারেন। তারা নিয়েছেন কেউ কেউ। এটা ঠিক। তবে এটা ঠিক নয় যে, আমি পাসপোর্ট স্যারেন্ডার করেছি। আমার পাসপোর্ট যথারীতি বহাল আছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ের সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভা শেষে সাংবাদিকরা এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমি ঠিক জানি না। আমি দিয়ে দিয়েছি, আমার ওয়াইফেরটাও। ও তো কম ট্রাভেল করে। ফাওজুল কবির (জ্বালানি উপদেষ্টা) বোধহয় দিয়েছে। এটা নিয়ম হল, দিয়ে দেওয়া। আগের গভর্নর থাকার সময়েও আমরা দিয়েছিলাম। ওটা জমা দিয়ে দিয়েছি, আমাদের আর নতুন করে পাসপোর্ট করতে হবে না। আপনাদের মতোই অর্ডিনারি পাসপোর্ট নিয়ে এখন আমার ঘোরাঘুরি।