শিরোনাম :
দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: সৌদির কাছে রায়ের কপি চেয়েছে বাংলা‌দেশ সৌদিতে নজরুলের মৃত্যুদণ্ড: ছেলেকে হারিয়ে নিঃস্ব বাবা, শোকে প্রাণ গেল ফুফুর হামে ও এর উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা ১২০০ ছাড়ালো প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করলেন ইশরাক হোসেন মুন্সীগঞ্জে জাল টাকা ছাপানোর সরঞ্জামসহ যুবক গ্রেপ্তার জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী ‘মন্ত্রী নয়, মাদক নির্মূল’ স্লোগান দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন ইশরাক আগারগাঁওয়ে যাচ্ছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার, ২২ জেলের কারাদণ্ড ইশরাকের পিস্তল উঁচিয়ে ধরার ঘটনা ত্রাসের রাজত্বের বহিঃপ্রকাশ: জামায়াত

চার আর্থিক প্রতিষ্ঠান অকার্যকর ঘোষনা: পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত

  • ১০:৪২ এএম, সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

।।বিকে ডেস্ক।।
বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ ও বিনিয়োগ এবং তারল্যসংকটসহ আর্থিক খাতে সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং আমানতকারী ও অন্যান্য পাওনাদারের স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে অকার্যকর(নন-ভায়াবল) ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

রবিবার ৯ আগস্ট রাতে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

অকার্যকর ঘোষণা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- আভিভা ফাইন্যান্স লিমিটেড, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড।

অকার্যকর ঘোষণার পর প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। রেজল্যুশন কার্যক্রম সুষ্ঠু, কার্যকর ও নির্বিঘ্নভাবে বাস্তবায়ন এবং আমানতকারীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনের স্বার্থ সংরক্ষণে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ করে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সক্ষমতা ও পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা পর্যালোচনা করে তাদের অকার্যকর ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬-এর আওতায় এনে এসব প্রতিষ্ঠানে রেজল্যুশন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলোর অকার্যকর হয়ে পড়ার পেছনে বড় অঙ্কের মূলধন ঘাটতি, উচ্চমাত্রার শ্রেণীকৃত ঋণ বা বিনিয়োগ, তারল্য সংরক্ষণে ব্যর্থতা, আয়ক্ষমতার অবনতি এবং আমানতকারী ও পাওনাদারদের দায় পরিশোধে অক্ষমতার মতো কারণ রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অ্যাডমিনিস্ট্রেটর ও অ্যাসোসিয়েট অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তারা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও রেজল্যুশন কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আর্থিক খাতে সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, আমানতকারী ও অন্যান্য পাওনাদারের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আর্থিক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক আশা করছে, এ পদক্ষেপের মাধ্যমে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ও সুশাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার পাশাপাশি আমানতকারী ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের স্বার্থ সংরক্ষণে কার্যকর অগ্রগতি হবে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech