শিরোনাম :
আ.লীগের মতো জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করতে চায় জামায়াতে ইসলামী জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর পরিকল্পনা চলছে: আসিফ মাহমুদ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৫৬৮ জন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও এর আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি সাশ্রয়ী মূল্যে পাটের ব্যাগ বাজারজাতকরণ উদ্বোধন করলেন দুই উপদেষ্টা চবি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ২য় দিনেও দফায় দফায় সংঘর্ষ জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্য ধরে রাখতে হবে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নুরের খোঁজ নিতে ফোন করলেন রাষ্ট্রপতি : উন্নত চিকিৎসা ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস আরও দুই হাজার এমবিবিএস চিকিৎসক নিয়োগের সুপারিশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে গর্ভধারিণী মাকে নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল, ছেলে-পুত্রবধূসহ আটক ৫

নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ চার জেলেকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ

  • আপলোড টাইম : ১০:৪০ পিএম, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১১৯ Time View

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদী থেকে ট্রলারসহ বাংলাদেশি চার জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই অপহরণের সঙ্গে মিয়ানমারের সশস্ত্র সংগঠন আরাকান আর্মি জড়িত।

মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীরদ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনায় এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি জানিয়েছেন কোস্টগার্ডের শাহপরীরদ্বীপ স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট এইচ এম সারতাজ বিন সোহরাব।

অপহৃত বাংলাদেশী জেলেরা হলেন- টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান (৩০), আব্দুর রকিম (২০), মো. জাবের (২৬) ও মো. হাসান (১৬)।

লেফটেন্যান্ট সারতাজ বিন সোহরাব বলেন, সকালে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা মো. হাসান চার জেলেকে নিয়ে ট্রলারসহ নাফ নদীতে মাছ ধরতে যান। এক পর্যায়ে মিয়ানমার দিক থেকে একটি স্পিডবোট যোগে আসা সশস্ত্র ব্যক্তিরা ট্রলারটি ঘিরে ফেলে। পরে জেলেসহ ট্রলারটি মিয়ানমার অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।

তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে কোস্টগার্ডের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ, বিজিবি ও প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। অপহৃতদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড তৎপরতা চালাচ্ছে এবং নাফ নদীতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের কাছ থেকে জেলেদের ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। বিজিবি ও সংশ্লিষ্ট বাহিনী উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরে সংঘাতের কারণে অধিকাংশ এলাকা আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারাই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত।

বিজিবি ও কোস্টগার্ড সীমান্তে নিরাপত্তা ও নজরদারি বাড়িয়েছে বলে ইউএনও নিশ্চিত করেছেন।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech