।।বিকে রিপোর্ট।।
কাঁচামরিচের ঝালে নাকাল রাজধানীবাসীর জন্য সুসংবাদ জানালেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। কাঁচা মরিচের লাগামছাড়া গতি নিয়ন্ত্রনে অবশেষে কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার। আগামীকাল থেকেই আমদানি করা যাবে এমন তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রী।
রবিবার রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে আজ রাজধানীর শান্তিনগর কাঁচাবাজার পরিদর্শন করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী।
পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ গণমাধ্যমকর্মীদের জানান, কাঁচা মরিচের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, কাঁচা মরিচ আমদানির ওপর বিদ্যমান কর কমানো হচ্ছে এবং কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।
আগামীকাল থেকেই আমদানি কার্যক্রম শুরু হবে। ফলে দুই থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম সহনীয় পর্যায়ে নেমে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীর বাজারে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায়। মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে বেড়েছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। দুই-তিন দিন আগে যা ৪০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।
কারওয়ান বাজার, রায়েরবাজার ও মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কোনো কোনো দোকানে তুলনামূলক ভালো মানের মরিচের দাম আরও কিছুটা বেশি চাওয়া হচ্ছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ কমে যাওয়ায় আড়ত থেকে বেশি দামে মরিচ কিনতে হচ্ছে। টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও বিভিন্ন অঞ্চলের বন্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং সরবরাহ কমে যাওয়াকেই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বলছেন ব্যবসায়ীরা। সেই বাড়তি দামই শেষ পর্যন্ত ভোক্তার ওপর চাপছে।