শিরোনাম :
ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ বিজয়া দশমীতে বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় প্রাণ গেল নববধূর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা হুতিরা পাল্টা আঘাত করলো সৌদি আরবে: দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, লাগবে লাইসেন্স বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে: লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সম্প্রীতি আমাদের শক্তি, আমাদের অস্তিত্ব, যেকোনো মূল্যে তা অক্ষুন্ন রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি দেশের ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট

১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর

  • ১০:৫৭ এএম, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে ডেস্ক।।
ঢাকার সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে একটি মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে এলাকাবাসী। অভিযুক্ত আব্দুল বারী (৫০) ওই মাদ্রাসার শিক্ষক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত পৌনে ৯টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি চলে বলে জানিয়েছেন সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন।

এসময় অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে উদ্ধার করতে গিয়ে জনতার ঘেরাওয়ের মুখে পড়ে পুলিশ।

প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যক্তি গণমাধ্যমকে বলেন, ওই শিক্ষার্থী আজ বিষয়টি তার অভিভাবকদের জানায়। পরে এলাকায় খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর চালান। পাঁচতলা একটি ভবনে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়ি অবস্থিত। এ সময় ভবন থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ওই ব্যক্তি বলেন, খবর পেয়ে বিরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল মাদ্রাসায় যায়। তখন অভিযুক্ত শিক্ষক বাড়িতে না থাকলেও তার স্ত্রী ও ছেলে সেখানে ছিলেন। পুলিশ তাদের উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় স্থানীয়রা ভবনটিতে ভাঙচুর শুরু করেন। ফলে পুলিশসহ সেখানে থাকা অন্য ব্যক্তিরাও আটকা পড়েন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, আমরাও পুলিশের সঙ্গে ভবনের ভেতরে আটকা পড়েছিলাম।
পরে সাভার থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক দল ঘটনাস্থলে যায়।

পরিদর্শক মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তাদের থানায় নেওয়ার পর স্থানীয়রা আবারও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশের একাধিক দল মোতায়েন ছিল।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech