Breaking News:


শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে ‘জাতীয় সম্পদ’ ঘোষণা ইরানের সর্বোচ্চ নেতার এপ্রিলের ২৯ দিনেই রেমিট্যান্স এলো ৩ বিলিয়ন ডলার সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচিত ৪৯ জনের গেজেট প্রকাশ মে মাসে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম গণভোটের দাবি বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের নতুন কর্মসূচি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা বিনিময় ঈদুল আজহায় ঢাকায় ২৬ পশুর হাট, দক্ষিণে ১৩ ও উত্তরে ১৩টি বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ : সন্ধ্যায় চুক্তি সই পুতিন ও ট্রাম্পের দেড় ঘণ্টার ফোনালাপ: যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা

তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপর: খুলে দেওয়া হয়েছে ব্যারাজের সব জলকপাট- নিম্নাঞ্চল ডুবছে

  • ০১:০৩ পিএম, সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
উজানের ঢল ও টানা ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

সোমবার ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টার পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, লালমনিরহাটের ডালিয়া পয়েন্টে পানি সমতল ৫২.১৮ মিটারে দাঁড়িয়েছে, যা বিপৎসীমা (৫২.১৫ মিটার) থেকে ৩ সেন্টিমিটার উপরে।

যা বিপদসীমার ৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি নিয়ন্ত্রণে ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

ডালিয়া পয়েন্টের গেজ রিডার নুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খোলা আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা গেছে, রবিবার (১৪সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় তিস্তার পানি বিপৎসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। দুপুরের পর থেকে পানি ক্রমেই বাড়তে থাকে। রাত ৯টায় তা বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার নিচে ছিল। সকালে আরও পানি বেড়ে বিপৎসীমা অতিক্রম করে।

হঠাৎ পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তিস্তা পাড়ের নীলফামারীর ডিমলা ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের কিছু জায়গায় ইতোমধ্যেই পানি ঢুকে পড়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।  

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারসহ উত্তরের আরও কয়েকটি নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। এতে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, পানির স্তর বাড়তে থাকলে চরাঞ্চল ও নিম্নভূমি প্লাবিত হতে পারে। এতে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ির ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। নদীপাড়ের বাসিন্দারা গবাদিপশু ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরিয়ে নিরাপদ জায়গায় রাখার চেষ্টা করছেন।

এদিকে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (বাপাউবো) জানিয়েছে, আগামী তিন দিনে (১৪ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর) রংপুর বিভাগের প্রধান নদীগুলো, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের পানি সমতল আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মধ্যে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।

এ সময় লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও কুড়িগ্রাম জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলসমূহ প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নদীপাড়ের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech