শিরোনাম :
সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী ৪ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে তছনছ ইতালির নেপলস ২৯ অক্টোবর প্রাথমিকে যোগ দেবেন ১৪ হাজার ৩৮৪ জন শিক্ষক সারাদেশে হাম উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৮৪০ আজ থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক ছিটমহল বিনিময়ের ১১ বছর: বাসিন্দারা এখন কেমন আছেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ এস আলম গ্রুপের ১১টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা দেশ পরিচালনায় বিএনপি সরকার ব্যর্থ: জামায়াত আমির স্পেনের সেউতায় অভিবাসন প্রত্যাশীদের ঢল- ৫৭ মরদেহ উদ্ধার, দুই সীমান্তে সেনা মোতায়েন

আহমদ রফিকের মরদেহ শহিদ মিনারে : চলছে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন

  • ১২:৫৬ পিএম, শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
ভাষা আন্দোলনের কিংবদন্তি যোদ্ধা, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক-এর মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে আসা হয়েছে।

শনিবার বেলা ১১টায় শহিদ মিনারে নেওয়া হয় আমদ রফিকের মরদেহ। সেখানে তার মরদেহে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন চলছে। নানা শ্রেণিপেশার মানুষ, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং শুভানুধ্যায়ী তার কফিনে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পর এই গুণীজনের মরদেহ ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতাল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মৃত্যুর আগে তিনি তার মরদেহ এ হাসপাতালে দান করে গেছেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি বারডেম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। বুধবার তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়েছিল।

১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্ম নেওয়া আহমদ রফিক একাধারে ছিলেন ভাষা সংগ্রামী, কবি, প্রাবন্ধিক, ইতিহাসবিদ এবং বিশিষ্ট রবীন্দ্র গবেষক। তার স্ত্রী মারা গেছেন ২০০৬ সালে। স্ত্রীকে হারানোর পর তিনি ঢাকার নিউ ইস্কাটনের গাউসনগরের একটি ভাড়া বাসায় একাই বসবাস করতেন। তার কোনো সন্তান ছিল না।

বাংলা সাহিত্যে তার অবদান অপরিসীম। শতাধিক গ্রন্থের রচয়িতা ও সম্পাদক আহমদ রফিক পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কার, এবং কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে পাওয়া ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধিসহ বহু সম্মাননা।

গবেষক, বহুমাত্রিক লেখক, রবীন্দ্রবিশেষজ্ঞ আহমদ রফিক পেশায় ছিলেন চিকিৎসক। জীবনভর তিনি দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। রবীন্দ্র চর্চা কেন্দ্র ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন তিনি। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার, একুশ পদক পেয়েছেন। এছাড়া, কলকাতার টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধিতে দিয়েছে।

কবিতা, প্রবন্ধ, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, গবেষণা মিলিয়ে তার লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক।

সর্বশেষ ২০২৩ সালের একুশের বইমেলায় দুটি বই সময় প্রকাশন থেকে ‘ভারত-পাকিস্তান বাংলাদেশ কথা’, এই সময় পাবলিকেশনস থেকে প্রবন্ধগ্রন্থ ‘শিল্প-সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য’ প্রকাশিত হয়।  

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech