শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবারের মতো খুলনা সফর: দাকোপে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী মার্কিন কূটনীতিক ও পরিবারের সদস্যদের সৌদি ত্যাগের নির্দেশ ত্রিদেশীয় সিরিজে আফগানদের কাছে ৭ উইকেটে হেরে শূন্য হাতে ফিরছে বাংলাদেশ বিজয়া দশমীতে বিসর্জনস্থলে সিঁদুর খেলার সময় প্রাণ গেল নববধূর ১৩ বছর বয়সী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে সাভারে মাদ্রাসা ও শিক্ষকের বাড়িতে ভাঙচুর ৩১ অক্টোবরের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লং মার্চ সফল করতে জামায়াতের প্রস্তুতি সভা হুতিরা পাল্টা আঘাত করলো সৌদি আরবে: দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় নিহত ১ ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায়ের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক, লাগবে লাইসেন্স বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো শারদীয় দুর্গোৎসব আকাশ আজ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে: লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে

বাণিজ্যিকভাবে চালু হলো ই-ঋণ: সর্বোচ্চ সীমা ৫০ হাজার

  • ১১:৫৯ এএম, শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬
ছবি: ফাইল ফটো

।।বিকে ডেস্ক।।
এতদিন ব্যক্তি পর্যায়ে ডিজিটাল বা ই-ঋণ চালু থাকলেও এবার এক বছর মেয়াদের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার সীমা বেঁধে দিয়ে বাণিজ্যিক ঋণ সুবিধা চালু করল বাংলাদেশ।

এ ব্যবস্থায় ব্যাংকে না গিয়ে মোবাইল অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ঋণের আবেদন, অনুমোদন ও অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন গ্রাহকরা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ই-ঋণ জগতে প্রবেশ করল।

গত সোমবার ১১ মে এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের বিস্তারিত নির্দেশনা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ। সেখানে বলা হয়েছে, প্রথম পর্যায়ে ছয় মাসের জন্য পাইলট প্রকল্প হিসেবে ই-ঋণ চালু করতে হবে। পাইলট প্রকল্প সফল হলে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হবে।

এক মেয়াদে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকার ই-ঋণ দেওয়া যাবে, যার মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ১২ মাস।

খেলাপিরা এই ঋণ নিতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি (ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো) থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য যাচাইয়ের জন্য ব্যাংকগুলোকে সফটওয়্যার চালু করতে হবে। ঋণ বিতরণের পর খেলাপি শনাক্ত হলে দ্রুত ঋণ সমন্বয় করতে হবে।

ই-ঋণ দেওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি, অর্থাৎ গ্রাহক বাছাই, আবেদন ও মঞ্জুর প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল বা অনলাইনে শেষ করতে হবে। সিআইবি তথ্য যাচাইয়ের জন্য কোনো ফি বা মাশুল আদায় করতে পারবে না বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ঋণের সুদহার হবে বাজারভিত্তিক। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা থাকলে ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ হবে।

ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এবং ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের মধ্যে ডিজিটাল আর্থিক পরিষেবা সম্প্রসারণ, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি শক্তিশালীকরণ এবং দেশের নগদবিহীন অর্থনীতির দিকে রূপান্তরকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই পদক্ষেপটি নেওয়া হয়েছে নীতিমালায় বলা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, ঋণ প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্যাংকগুলোকে অবশ্যই শারীরিক স্বাক্ষরের পরিবর্তে বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ, ওটিপি এবং দ্বি-স্তরীয় বা বহু-স্তরীয় প্রমাণীকরণ ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রাহকের পরিচয় যাচাই করতে হবে।

ঋণ গ্রহীতার তথ্য পুরোপুরি সুরক্ষিত রাখতে হবে। তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে গ্রাহকের তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে না।

ঋণ বিতরণের আগে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং মোবাইল আর্থিক পরিষেবা থেকে গ্রাহকদের বিদ্যমান ঋণের তথ্য সংগ্রহ করার জন্যও ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাইবার নিরাপত্তা ও ডেটা গোপনীয়তা জোরদার করতে, বাংলাদেশ ব্যাংক তথ্য সুরক্ষা, সাইবার নিরাপত্তা এবং ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন মেনে সকল গ্রাহক ও ঋণ-সম্পর্কিত ডেটা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সংরক্ষণ করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech