শিরোনাম :
কেপ ভার্দের কঠিন পরীক্ষায় পাস করে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা জুলাই শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ শুরু অস্ট্রেলিয়াকে টাই ব্রেকারে হারিয়ে শেষ ষোলতে মিশর সরকারি বরাদ্দের সাইকেল নাতনিকে দেওয়া সেই উপজেলা জামায়াতের আমিরকে অব্যাহতি ইমাম খামেনির রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় স্পিকারের অংশগ্রহণ খামেনির জানাজা ও রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরানে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধিদল আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন শুরু: লোকে লোকারণ্য গ্র্যান্ড মোসাল্লা দেশের রিজার্ভ বেড়ে ৩৭.৬৫ বিলিয়ন ডলার দেশের ৫০ শয্যার সকল হাসপাতাল ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৯টি জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে

জুলাই শহীদদের স্মরণে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’ শুরু

  • ০১:২৮ পিএম, শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’। স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার ৪ জুলাই সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ স্মরণসভা শুরু হয়।

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ এবং আমরা জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটি’ যৌথভাবে এই আয়োজন করে।

সরকারপ্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “রক্তাক্ত জুলাই বিপ্লব স্মরণে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শহীদদের স্মরণেই এ অনুষ্ঠান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি।”

এই সম্মেলনের মূলমন্ত্র ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। মঞ্চে ব্যানারে লেখা আছে, ‘গর্বিত ইতিহাস, অদম্য চেতনা ৪ জুলাইয়ের এই দিনে হোক সবার অনুপ্রেরণা, যে আত্মত্যাগ ইতিহাসকে বদলে দিয়েছে।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত আছেন জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা। জাতীয় সঙ্গীত দিয়ে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে শহীদদের জন্য মোনাজাত করা হয়।

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এ স্মরণ সভায় মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনার, সামরিক ও বেসামরিক ঊধর্তন কর্মকর্তা ও পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত রয়েছেন।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া ছাত্রদের আন্দোলন শেষমেশ সরকার উৎখাতের ইতিহাস পড়ে।

৩৬ দিনের সেই আন্দোলনে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালাতে বাধ্য হন সাড়ে ১৫ বছর দোর্দণ্ড প্রতাপে দেশ চালিয়ে আসা শেখ হাসিনা।

শুরুতে এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পরে তা দাবানলের মত ছড়িয়ে পড়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

সরকারের তরফে জবাব ছিল- গুলি, টিয়ারশেল আর লাঠি; এককথায় কেবলই বলপ্রয়োগ। প্রথমে ফেইসবুক, পরে ইন্টারনেট বন্ধ করে পরিস্থিতি সামাল দিতে চায় সরকার। তাতে হিতে বিপরীত হয়।

১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। তাকেই এ আন্দোলনের ‘প্রথম শহীদ’ হিসেবে সম্মান জানানো হয়।

আন্দোলনে রক্তপাত শুরু হওয়ার ২০ দিনের মধ্যেই লাশ আর রক্তের বোঝা মাথায় নিয়ে পতন হয় দেড় দশকের আওয়ামী লীগ সরকারের। পালাতে বাধ্য হন শেখ হাসিনা আর তার অমাত্যরা।

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের যে তালিকা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে, সেখানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪। তবে অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে জাতিসংঘ যে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, সেখানে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে ১৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হতে পারে বলে ধারণা দেওয়া হয়েছে।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech