শিরোনাম :
হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হলেন হাফিজ উদ্দিন আহমদ কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা, ফেরত পাঠালো বিজিবি শুধু পদত্যাগ করলেই হবে না, রাষ্ট্রপতিকে গ্রেপ্তারও করতে হবে: নাহিদ আল-আকসা মসজিদে ঢুকে ৪ সহস্রাধিক ইসরায়েলি তাণ্ডব বাংলাদেশসহ ৬০ বাণিজ্য অংশীদারদের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা, চট্টগ্রাম সহ দেশের ১০টি অঞ্চলে অস্থায়ী ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ইসরায়েলকে স্বীকৃতির শর্তে সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি: ট্রাম্প

মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হলো পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা

  • ১১:৩৩ এএম, বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫
ছবি: সংগৃহিত

।।বিকে রিপোর্ট।।
লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনিতে মুখরিত মিনা প্রান্তরে বিরাজ করছে এক পবিত্র পরিবেশে।

আজ মিনায় অবস্থানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিকতা।

নিয়ম অনুযায়ী, মঙ্গলবার ৭ জিলহজ সন্ধ্যার পর মক্কার মসজিদুল হারাম কিংবা নিজ নিজ আবাসন থেকে ইহরাম বেঁধে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরের মিনা অভিমুখে রওনা হয়েছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এরই মধ্যে ‘তাবুর শহর’ হিসেবে পরিচিত মিনায় সমবেত হয়েছেন লাখো মুসল্লি। আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে মিনায় অবস্থান করছেন ৪ লক্ষাধিক হজযাত্রী।  

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত থেকেই মিনায় পৌঁছাতে শুরু করেন হাজিরা। সেখানে রাত্রিযাপন শেষে বৃহস্পতিবার ৯ জিলহজ তারা রওনা হবেন আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে। সেদিনই অনুষ্ঠিত হবে হজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব—খুতবা।

মূলত আরাফাতে অবস্থান করাকেই হজের কেন্দ্রীয় অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এবারে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে প্রায় ১৫ লাখ মুসল্লি হজ পালন করছেন। হজ ব্যবস্থাপনায় সৌদি সরকার নিয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও সেবা নিশ্চিত করার নানা উদ্যোগ।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ৮ থেকে ১৩ জিলহজের মধ্যে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতাগুলো পালিত হয়। এই সময় চার দিনের ধর্মীয় রীতিতে অংশ নেন হাজিরা।

এদিকে, সৌদি আরবের ধর্ম বিষয়ক প্রেসিডেন্সি জানিয়েছে, এ বছর আরাফার দিন খুতবা প্রদান করবেন খ্যাতিমান ইসলামিক স্কলার শেখ সালেহ বিন হুমাইদ। রাজকীয় এক আদেশে তাকে এই দায়িত্ব দিয়েছেন বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ।

আগামী ৯ জিলহজ আরাফাতের ময়দানে তিনি এই ঐতিহাসিক খুতবা প্রদান করবেন।  


৯ জিলহজ বৃহস্পতিবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফার ময়দানে অবস্থান করে হাজিরা চলে যাবেন মুজদালিফায়। সেখানে রাতযাপন ও পাথর সংগ্রহ করবেন। ১০ জিলহজ ফজরের নামাজ আদায় করে মুজদালিফা থেকে আবার মিনায় ফিরে আসবেন। মিনায় এসে বড় শয়তানকে পাথর মারা, দমে শোকর বা কুরবানি দেওয়া ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে মক্কায় গিয়ে কাবা শরিফ তওয়াফ ও সাফা-মারওয়া সায়ি করবেন। সেখান থেকে তারা আবার মিনায় ফিরবেন। পরে মিনায় ১১ ও ১২ জিলহজ থেকে তিনটি (বড়, মধ্যম, ছোট) শয়তানকে ২১টি পাথর নিক্ষেপ করবেন। সবশেষে কাবা শরিফকে বিদায়ি তওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে হজের আনুষ্ঠানিকতা।

সোস্যাল মিডিয়াতে নিউজটি শেয়ার করুন

আরও পড়ুন
© All rights reserved © 2025. Bangalir Khobor
Developed by Tiger Infotech